প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৪) বার বার ধর্ষণ করেছে এক মুদি দোকানি। এ ঘটনায় মুদি দোকানির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে।বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার চন্দ্রহার গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মুদি দোকানি লিয়াকত ফকিরকে (৬০) আসামি করে গৌরনদী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।মামলার পর চন্দ্রহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক লিয়াকত ফকিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার লিয়াকত ফকির উপজেলার চন্দ্রহার গ্রামের মৃত গণি ফকিরের ছেলে।

 

 

 

 

 

পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এসআই মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, মুদি দোকানদার লিয়াকত ফকির ২৯ মার্চ বেলা ১১টার দিকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ওই কিশোরকে নির্জন ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে কিশোরীকে পাঠিয়ে দেয়।

 

 

 

 

 

বাড়িতে এসে মাকে ধর্ষণের কথা জানায় কিশোরী। তবে তার মা বিষয়টি তখন বুঝতে পারেনি। এরপর একইভাবে একাধিকবার ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে মুদি দোকানি। দফায় দফায় ধর্ষণের কারণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। কিন্তু বার বার বিষয়টি মাকে জানালেও বিষয়টি বুঝতে পারেননি মা।

 

 

 

 

 

 

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একইভাবে প্রতিবেশী সাইদুল মোড়লের খালি ঘরে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে লিয়াকত। কিশোরীর মা দেখে ফেলে চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে ধর্ষক লিয়াকত পালিয়ে যায়।এসআই তৌহিদুজ্জামান আরও বলেন, এ ঘটনায় নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে বুধবার দুপুরে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেন।

 

 

 

 

 

 

মামলার পর থানা অভিযান চালিয়ে ধর্ষক লিয়াকত ফকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।