প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা না আনায় আকলিমা বেগম (২৩) নামে এক গৃহবধূকে প্রচণ্ড মারধর মাথার চুল কেটে দিয়েছে তার স্বামী মো: মিজান।এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চাতলা সাতবাড়িয়া গ্রামে।

 

 

 

 

 

এ ঘটনায় নির্যাতিতা গৃহবধূ আকলিমা বেগম থানায় তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।ভুক্তভোগী গৃহবধূ আকলিমা বেগম বলেন, আমার বাবার বাড়ি লালমোহনের চরভূতা এলাকায়। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চাতলা সাতবাড়িয়া গ্রামের আরিফ উদ্দিন মালেগো বাড়ির মো: মিজান মালের সঙ্গে ৫ বছর আগে আমার বিয়ে হয়।

 

 

 

 

মিজান রাজধানী ঢাকায় কাপড়ের ব্যবসা করেন। বিয়ের পর থেকে মিজান আমার বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের জন্য ৩০ হাজার টাকা আনতে বলেন। আমি রাজি না হলে বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালান।

 

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, গত ১২ মে মিজান ঢাকা থেকে এসে আবারও যৌতুকের জন্য আমাকে চাপ দেন। আমি না করলে আমাকে মারধর করে দুই হাত পেছন দিকে বেঁধে ফেলে মিজান। এরপর কাঁচি দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে এবং মাথার চুল কেটে দেন।

 

 

 

 

 

এ সময় আমার চিৎকার-চেচামেচি শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।চিকিৎসা শেষে শনিবার (১৭ মে) রাতে লালমোহন থানায় একটি অভিযোগ করেছি।

 

 

 

 

 

লালমোহন থানা পুলিশের ওসি মীর খায়রুল কবির এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় শনিবার রাতে গৃহবধূ আকলিমা থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। ওই গৃহবধূর ওপর নির্যাতনের বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি।তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় গৃহবধূর আকলিমা বেগমের স্বামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।