প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: সোমবার কালীঘাটে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জির বাসভবনে একান্ত বৈঠক করেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু।প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলেছে সেই বৈঠক। কিন্তু কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে কেউই সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেননি।

 

 

 

 

সূত্রের খবর ৪৫ মিনিটের বৈঠকে মহাজোটের দলগুলির একজোট হয়ে থাকার উপরেই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরে যাতে মহাজোটের কোনও দলকে বিজেপি ভাঙাতে না পারে সেবিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই সুপ্রিমোর মধ্যে।তবে তৃণমূল শীর্ষ নেতারা ঘরোয়া আলোচনায় আজও বলেছেন, ২৩ তারিখ ফলাফল না দেখে দিদি কিছু ঠিক করবেন না। চন্দ্রবাবুর কথা দিদি শুনবেন। কিন্তু ওই পর্যন্তই।

 

 

 

 

 

চন্দ্রবাবু চান, বিরোধী দলগুলি ঐক্যবদ্ধ থাকুক। গতকাল রবিবার বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল ঘোষণার আগে থেকেই এ ব্যাপারে সক্রিয় তিনি। এমনকি গতকাল সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চন্দ্রবাবু। পরে শরদ পওয়ারের সঙ্গেও দেখা করেছেন। যাতে দিল্লিতে বিকল্প সরকার তৈরির সমস্ত প্রস্তুতি থাকে।

 

 

 

 

আর তারই মধ্যে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব ফোন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় রাজনীতিতে বাবুর উচ্চাকাঙ্খা কোনও কালেই ছিল না। বরাবর অন্ধ্র নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন তিনি। এবারও তাই।

 

 

 

 

তিনি যদি অন্ধ্রে ফের সরকার গঠনের সুযোগ পান এবং কেন্দ্রে বন্ধু সরকার না থাকে তা হলেও বিপদ। কারণ, রাজ্য ভাগের পর অন্ধ্রে নতুন রাজধানী শহর পত্তনের জন্য কেন্দ্র থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক প্যাকেজ না পেলে সরকার চালানোই মুশকিল হবে। এই পরিস্থিতিতেই কেন্দ্রে বিরোধী জোটের সঙ্গে একটা তালমিল চাইছেন বাবু।

 

 

 

 

 

 

বুথ ফেরত সমীক্ষা যাই বলুক, তাতে আস্থা না রেখে অনবরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে কেন্দ্রে বিকল্প সরকার হয়।বিজেপি যাতে কোনওভাবেই মহাজোট ভাঙতে না পারে সেকারণেই একজোট হয়ে থাকার উপরেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।