প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ভবনের আসবাবপত্র ও বালিশ কেনাসহ অন্যান্য কাজের অস্বাভাবিক খরচ তদন্ত করবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়ন পরিবীক্ষণ ও বাস্তবায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এনইসির সভা শেষে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

 

 

 

 

 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে এ বিষয়ে দুটি কমিটি হয়েছে। তারপরও আমার আইএমইডি যেহেতু আছে, আমার দায়িত্বও আছে। আমি আইএমইডিকে নির্দেশ দেব, তারা তাদের পক্ষ থেকে আমাকে একটা ফিডব্যাক দেবেন।

 

 

 

 

 

এই ফিডব্যাক পাওয়ার পরে আমি সে তথ্য প্রধানমন্ত্রী বা ওই মন্ত্রণালয়কে জানাব।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় রূপপুরের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

 

 

 

 

গ্রিন সিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য সম্প্রতি ফাঁস হয়। এতে দেখা যায়, একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

একটি বৈদ্যুতিক কেটলি নিচ থেকে ফ্ল্যাটে তুলতেই খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা। একই রকম খরচ দেখানো হয়েছে প্রতিটি ইলেকট্রিক আয়রন ওপরে তুলতে; প্রায় আট হাজার টাকা করে কেনা প্রতিটি বৈদ্যুতিক চুলা ফ্ল্যাটে পৌঁছে দিতে খরচ দেখানো হয়েছে সাড়ে ছয় হাজার টাকার বেশি।