প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: অ্যাপসের মাধ্যমে রেলের কাঙ্ক্ষিত টিকিটসেবা দিতে না পারায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। মন্ত্রী বলেন, অ্যাপসে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিএনএসের সঙ্গে ২০০৭ সাল থেকে চুক্তি। এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আর বাড়ানো হবে না। সিএনএসের ব্যর্থতার দায় আমরা এড়াতে পারি না। তাই অবশ্যই সিএনএসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বুধবার (২২ মে) সকাল ১১টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে একথা বলেন তিনি।

 

 

 

 

এর আগে কালের কণ্ঠ অনলাইন ভার্সনে সিএনএস এর রেলের ডিজিটালাইজেশনে বড় বাধা ‘সিএনএস’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। যেখানে সিএনএস অনলাইন নির্ভর যাত্রীদের সাথে কী ধরনের চতুরতা করছে তা প্রমাণসহ সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

 

 

 

 

 

ওই প্রতিবেদন বলা হয়,  সেবা তো দূরে থাক, অদক্ষ এই কম্পানি এখন রেলযাত্রীদের বিরক্তি আর হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু অদক্ষতাই নয়; কম্পানিটির কর্মীরা জড়িয়ে পড়েছেন দুর্নীতিতে। সিএনএসের সর্বশেষ সংযোজন রেলসেবা অ্যাপ নিয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

 

 

 

 

বুধবার রেলমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিশেষ দিবসগুলোতে পরিবহন সক্ষমতার চেয়েও বেশি যাত্রী থাকে। তাই বিশেষ দিবস নজর দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ঈদে যাতে যাত্রীদের কোনো বিড়ম্বনা না হয়, আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।  এবার কার্যক্রমে ভিন্নতা রয়েছে। অ্যাপসে ৫০ শতাংশ টিকিট দেওয়া হয়েছে। অনেক অভিযোগ করেছেন, যে সেবা পাওয়ার কথা, সেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। এটা দুঃখজনক। যাতে ভবিষ্যতে বিড়ম্বনা না হয়, ঈদের পর আমরা ব্যবস্থা নেবো।

 

 

 

 

 

সিএনএসের কারসাজি : ঈদের আগে ভোগান্তিতে রেলযাত্রীরা শিরোনামে আরো একটি সংবাদ প্রকাশ বকরা হয় কালের কণ্ঠ অনলাইন ভার্সনে। বিষয়গুলো নিয়ে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী। তিনি বলেন, ঈদের স্পেশাল কাউন্টার ৯টি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬টি পুরুষ ও ৩টি নারী কাউন্টার। যেহেতু অ্যাপসে সমস্যা হচ্ছে, তাই আসন থাকা সাপেক্ষে অবশিষ্ট টিকিট ২৭ মে বিক্রি করা হবে।

 

 

 

 

 

সিএনএসের দুদকের অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা কারো সঙ্গে যোগসাজশ করে কালোবাজারে টিকিট বিক্রি করছে কিনা, তা তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় রেলপথ সচিব মোফাজ্জেল হোসেনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

২১ মে অনলাইনে ১৪ হাজার ৭৫৪টি, অ্যাপসের মাধ্যমে ১ হাজার ৫৫৭ ও মোবাইলে ৫ হাজার ২৮০টি টিকিট বিক্রির পরিসংখ্যান তুলে ধরেন মন্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যদি কালোবাজারি থাকে, আপনারা হাতেনাতে ধরে দেন। –  কালেরকণ্ঠ