প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   দলীয় প্রচন্ড চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। তিনি বলেছেন, আগামি ৭ই জুন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের প্রধানের পদ থেকে সরে যাবেন তিনি। এর ফলে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধতার ৩ বছরের প্রধানমন্ত্রীত্বের অবসান ঘটবে।

 

 

 

 

 

একইসঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পথ তৈরি হবে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।ব্যাকবেঞ্চার হিসেবে পরিচিত ১৯২২ কমিটির চেয়ার গ্রাহাম ব্রাডির সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। তেরেসা মে যদি নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানান তাহলে তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় অনাস্থা ভোট আনার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ১৯২২ কমিটি।

 

 

 

 

 

 

 

পদত্যাগের ঘোষণা জানিয়ে ডাওনিং স্ট্রিটে তেরেসা মে আবেগঘন এক বক্তব্য প্রদান করেন। এতে তিনি বলেন, আমি ২০১৬ সালের গণভোটকে সম্মান জানাতে আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। ব্রেক্সিটের ক্ষেত্রে সফল না হওয়াকে নিজের জন্য ভীষণ অনুতাপের বলেও জানান তেরেসা মে।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, যতদিন না কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্ব নির্ধারিত না হচ্ছে ততদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি দলের প্রধান থেকে পদত্যাগ করবেন ৭ জুন। এর ৭ দিনের মধ্যেই কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্ব নির্ধারনী প্রকৃয়া শুরু হবে। বক্তব্য দেয়ার এক পর্যায়ে তেরেসা মে আবেগাপ্লুত হয়ে পরেন।

 

 

 

 

 

 

এসময় তিনি বলেন, আমি অতি শীঘ্রই পদত্যাগ করব। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জীবনের সবথেকে বড় সম্মান। বক্তব্য শেষ করার আগে তিনি মে বলেন, আমি বৃটেনের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী কিন্তু আমিই শেষ নই। আমি যা করেছি তার পিছনে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। দেশের সেবা করার সুযোগ দেয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।