প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা না দিয়ে সরকার ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে ঠেলে দিচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চিকিৎসার অভাবে বেগম খালেদা জিয়ার কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে সে দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।

 

 

 

 

 

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। তাই সুচিকিৎসার জন্য অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে যে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ রয়েছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি রাজনীতি ও ক্ষমতায় এসেছেন।

 

 

 

 

 

শুক্রবার (২৪ মে) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সরকারের আচরণ অমানবিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

 

 

 

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তার ডায়বেটিস কন্ট্রোলে নেই, এমনকি ইনসুলিন নেয়ার পরও তার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তিনি বলেন, চিকিৎসা না হলে পরিস্থিতি যা হওয়ার কথা ছিল তাই হচ্ছে।

 

 

 

 

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী এতদিন বাম হাত নাড়াতে পারতো না, এখন ডান হাতও নাড়াতে পারছে না। সাহায্য ছাড়া তিনি বেড থেকে উঠতে পারছে না। তার মাশেল পেশীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যে মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে সে মামলায় তিনি জামিন পেতে পারেন। কিন্তু সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ভাবে তাকে কারাগারে আটকে রাখেছে।

 

 

 

 

 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী প্রমুখ।