প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   ঈদযাত্রা সামনে রেখে দেশের উত্তরাঞ্চলে যাওয়ার অন্যতম প্রধান মহাসড়কে দুটি ফ্লাইওভার ও চারটি আন্ডারপাস উদ্বোধন করা হলো আজ। উত্তরাঞ্চলে যাতায়াতাকারী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানবাহন চালক ও যাত্রীদের প্রত্যাশা, এর মধ্য দিয়ে এই মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।

 

 

 

 

 

আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চন্দ্রা ও কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারসহ মোট ৮টি সেতু, ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাসের উদ্বোধন করেন।

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী আজ উদ্বোধন করেছেন হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দ্বিতীয় গোমতী সেতু ও দ্বিতীয় মেঘনা সেতু, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চন্দ্রা ও কোনাবাড়ীর ফ্লাইওভার এবং বিভিন্ন পয়েন্টে চারটি আন্ডারপাস। এ ছাড়া উদ্বোধন করা হয় ঢাকা-পঞ্চগড় রেল রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস।

 

 

 

 

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতু খুলে দেওয়া হচ্ছে আজ। একই দিনে উন্মুক্ত হচ্ছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতুও।

 

 

 

 

 

আসন্ন ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুটি ফ্লাইওভার ও চারটি আন্ডারপাস যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো আজ। বেলা ১১টার পর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এগুলোর উদ্বোধন করেন।

 

 

 

 

 

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক হয়ে উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলাসহ ২৬টি জেলার ৯০টি রুটের বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। দেশের ব্যস্ততম এই মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ২০১৩ সালে দুই লেনের এই মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প হাতে নেয় সরকার।

 

 

 

 

 

 

প্রকল্পে দুটি সার্ভিস লেন, ২৯টি নতুন ব্রিজ, চারটি ফ্লাইওভার ও ১৪টি আন্ডারপাস সংযুক্ত রয়েছে। মহাসড়কে ধেরুয়া এলাকার ফ্লাইওভার ও সেতুগুলোর কাজ শেষে গত বছর খুলে দেওয়া হয়।