প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দায় আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে চার বছরের মাথায়। ঘোষিত ওই কমিটিতে কয়েকজন পদধারী বিএনপি নেতার নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এতে করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দার উপজেলা আওয়ামী লীগের তৃ-বার্ষিক সম্মেলন গত ২০১৫ সালের ২৬ মে উপজেলা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সাবেক সংসদ সদস্য ছবি বিশ্বাসের ভাই ছন্দন বিশ্বাসকে সভাপতি ও আনোয়ার হোসেন ফৌজদারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

 

 

 

 

 

সম্মেলনে কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়র রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরু দীর্ঘ চার বছর পর গত ১৯ মে জেলা আওয়ামী লীগ কলমাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে।

 

 

 

 

ওই কমিটিতে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিবকে সহ- প্রচার ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ সাহাকে সদস্য, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মহিবুর রহমান লিটনকে আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং উপজেলা যুবদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রদীপ সরকারকে করা হয়েছে সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।

 

 

 

 

 

 

উপজেলার নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কদ্দুস বাবুলকে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও কমিউনিস্ট পার্টির খন্দকার আবদুল মতিনকে দপ্তর সম্পাদক এবং বিগত উপজেলা ও ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া ফজলুল হককে সহ-সভাপতি করা হয়েছে। এদিকে উপজেলার ত্যাগী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর নাম কমিটিতে না থাকায় তাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে গত ক’দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তর লেখালেখি হচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

কলমাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ফৌজদার কমিটিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের নাম থাকার বিষয়ে বলেন, ওই সমস্ত নেতাকর্মীরা বেশ কিছুদিন আগেই আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।

 

 

 

 

 

 

তাদেরকে সম্মান করে বিভিন্ন পদে দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। দলের মধ্যে অনেক নেতাকর্মী আছেন। সবাইকে কমিটিতে নেয়া সম্ভব না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ কাজ করা স্বাভাবিক।