প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: দীর্ঘদিন থেকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে অবশেষে বাড়ির ড্রেইন বন্ধ করে ওসমানীনগরের আ.লীগ নেতা আব্দুল মনাফের পরিবারকে পানিবন্ধি করে রেখেছেন প্রভাবশালী গউছ মিয়া। এ ঘটনায় ৮নং ইসবপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মনাফের স্ত্রী ভুক্তভোগী লায়লা খাতুন ২০ মে ওসমানীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

 

 

 

 

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন- গউছ মিয়া তার প্রতিবেশী হন। দীর্ঘদিন থেকে গউছ মিয়া গংদের সাথে জমি সংক্রান্ত জের ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তারা জনবলে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী হওয়ায় লায়লা বেগম নীরবে নিভৃতে তাদের নির্যাতন সহ্য করে আসছেন।

 

 

 

 

ছোট-খাটো কিছু নিয়ে সুযোগ পেলেই প্রভাবশালী গউছ গংরা লায়লা বেগমকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করে দেয়। গত ১৯ মে বাড়ির পাশে যাওয়া ড্রেন বন্ধ করে দেন গউছ মিয়া। যার ফলে অসহায় লায়লা বেগমের পানি নিষ্কাশনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। পরদিন সকাল ১১টায় গ্রামের পঞ্চায়েত সালিশ বৈঠকে বসে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। সভায় সালিশ ব্যক্তিগণ ড্রেইন ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু গউছ গংরা পঞ্চায়েতের দেয়া রায় মানেননি।

 

 

 

 

 

পরে লায়লা বেগম বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি গউছ মিয়া সহ তার ছেলে মিজান মিয়া, দিলুল ইসলাম সোহান, খায়রুল ইসলাম খোকন, নাহিদুল ইসলাম মিঠুন, ইমদাদুল ইসলাম ইমরান ও আব্দুর রহিমের ছেলে সাইকুল ইসলাম, ছুনু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়াকে আসামী করেন।

 

 

 

 

 

লায়লা বেগম জানান, এখন পর্যন্ত ড্রেইন খুলে না দেয়ায় পানিতে বাড়ির উঠোন ডুবে গেছে। আর একটু বৃষ্টি হলে পানি ঘরে ঢুকে যাবে।তিনি বলেন, থানায় অভিযোগ করেও কোন সুফল না পাওয়ায় স্থানীয় উমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়ার কাছে যান লায়লা বেগম।

 

 

 

 

 

চেয়ারম্যান এ পর্যন্ত অনেকবার চেষ্টা করেও ড্রেইন খুলে দিতে পারেননি। ভুক্তভোগী লায়লা খাতুন প্রশাসন ও স্থানীয়দের ধারে ধারে ঘুরেও কোন সমাধান পাননি। যত দিন যাচ্ছে ততোই প্রভাবশালীদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন তিনি।

 

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে উমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তারা প্রথমে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাটি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি।