প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: ঈদ আনন্দে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। তবে তিনি নিজের স্বামীর নাম ছাড়া তার অন্য কোনও পরিচয় ও ঠিকানা সম্পর্কে কিছুই জানেন না! স্বামীর ঠিকানা ও পরিচয় না জানার বিষয়টিতে স্থানীয়দের পাশাপাশি থানা পুলিশ সদস্যরাও হতবাক।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় থানা কার্যালয়ে এমন অভিযোগ নিয়ে হাজির হন ওই নারী। পরে শুক্রবার (৭ জুন) সকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।অভিযোগকারী ওই নারী উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাসকা গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের সদস্য। তার আগেও একটি বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে তার একটি সন্তান রয়েছে।

 

 

 

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই নারী ঢাকার গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। সেখানেই বিবাহিত এক পুরুষ কর্মীকে পুনরায় বিয়ে করেন তিনি। পরে ঈদে অবকাশ যাপনে পরিচয় না জানা ওই স্বামীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি।

 

 

 

নারীর অভিযোগের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেল করে বেড়াতে বের হন ওই নারী। একপর্যায় কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুন্ডলি গ্রাম এলাকার কেন্দুয়া-মদন সড়কে শাপলা ইটখলার সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নষ্ট হয়ে গেছে বলে থামিয়ে দেয় তার স্বামী। একপর্যায় শাপলা ইটখলা থেকে কয়েকজন যুবক এসে স্বামীকে আটকে নারীকে ধরে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। কিন্তু এ ঘটনার পর রহস্যজনকভাবে তার স্বামীও পলাতক রয়েছেন।

 

 

 

বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, অভিযোগকারী নারীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।