প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা লাশের আঙুলের ছাপ নিয়ে পরিচয় উদ্‌ঘাটন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার সকালে উপজেলার পাইথল ইউনিয়নের জয়ধরখালী গ্রামে সড়কের পাশের ঝোপে একটি অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেয়। পরে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

 

উদ্‌ঘাটন করা পরিচয় অনুযায়ী নিহত যুবক পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলার ধামরই গ্রামের আব্দুল করিম পাহলোয়ানের ছেলে নূরুল হক (৩৫)। ময়মনসিংহ পিবিআই এর একটি দল উদ্ধার করা লাশের আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে অনুসন্ধান করে নিহত যুবকের উক্ত নাম-পরিচয় উদ্‌ঘাটন করেন। পরে পাগলা থানা পুলিশ ওই ঠিকানায় যোগাযোগ করলে নিহতের স্ত্রী কোহিনূর আক্তার এসে লাশ শনাক্ত করেন এবং অজ্ঞাত আসামি দিয়ে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

নিহতের স্ত্রী কোহিনূর আক্তার বলেন, আমার স্বামী রেন্ট-এ-কার চালাতেন। রবিবার কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।উল্লেখ্য, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পাইথল ইউনিয়নের জয়ধরখালী গ্রামের জনৈক ময়না ফকিরের বাড়িসংলগ্ন সড়কের পাশের ঝোপে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। লাশের হাত, পা, গলায় সাদা মোটা প্লাস্টিকের দড়ি বাঁধা। গলায় গামছা পেঁচানো ও সাদা কাপড়ে মোড়ানো ছিল। স্থানীয় লোকজন পাগলা থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

 

পাগলা থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, ময়মনসিংহ পিবিআই এর একটি দল লাশের আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে অনুসন্ধান করে পরিচয় উদ্‌ঘাটন করেন। পরে নিহতের স্ত্রী লাশ শনাক্ত করেছেন এবং অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা দায়ের করেছেন।