প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    তামিল ‘ঠামিজান’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিষেক হয় ২০০০ সালে মিস ওয়ার্ল্ড  প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। হিন্দি চলচ্চিত্রে তিনি সানি দেওলের বিপরীতে দ্য হিরো ছবির মাধ্যমে প্রবেশ করেন। ২০০৪ সালে আন্দাজ ছবির জন্য তিনি সেরা নবাগতা অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন।

 

 

 

 

 

২০০৮ সালে তিনি ফ্যাশন ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৬ সালে তিনি ভারত সরকার প্রদত্ত চতুর্থ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী অর্জন করেন এবং টাইম ম্যাগাজিন প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষ ১০০ প্রভাবশালী নারী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। অভিষেকের পর আর কখোনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি পিয়াঙ্কাকে।

 

 

 

 

 

আর এখন হলিউডের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বও তিনি। ক্যারিয়ারে প্রায় সবই করে ফেলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। দীর্ঘদিন ধরে বিনোদন দুনিয়ায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভালোই জানেন বিনোদন ব্যবসা সম্পর্কে। জানেন, এই দুনিয়ায় রূপের কদর সম্পর্কে।

 

 

 

 

 

কিন্তু এত কিছু নিয়ে ভাবিত নন তিনি। বললেন, তার বয়স যখন তিরিশ ছুঁই ছুই, তখন থেকে নিজের চেহারার প্রতি অদ্ভুত ভালোলাগা শুরু হয় তার। চিন্তা এমন, এই হচ্ছি আমি, হয় গ্রহণ করো, নয় কেটে পড়ো। সম্প্রতি জীবনধারাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘ইলে’-তে নিজের বিবাহিত জীবন, ক্যারিয়ার, চেহারাসহ নানা প্রসঙ্গে মুখ খোলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেখানেই তিনি ওই কথা বলেন। কিন্তু নিজের শরীর-রূপ সম্পর্কে সচেতন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। পেশা সম্পর্কেও সচেতন।

 

 

 

 

 

 

তিনি জানেন, তার পেশায় রূপ ও চেহারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বললেন, আমি এ ব্যবসায় জড়িত। নিজের সেরা লুকটাই চাই, কিন্তু আসল কথাটা হলো, যতটা আমার দ্বারা সম্ভব। আমি ২১ বছরের নই, আর সেটা দেখানোর জন্য কখনো চেষ্টাও করি না! আমার শরীরের পরিবর্তন হচ্ছে, অন্য রকম হচ্ছে আমার শরীর।