প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সফল নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম শাবনূর। পরবর্তী সময়ে আর কোনও নায়িকা তার সমান জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি। চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্‌র অকাল মৃত্যুর পর রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস ও শাকিব খানের সঙ্গে জুটি হয়ে অসংখ্য হিট ছবি উপহার দিয়েছেন শাবনূর। তার অভিনীত বেশির ভাগ ছবিই ব্যবসা সফলতা পায়।

 

 

এমনকি নাম ভূমিকায় একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ইন্ডাস্ট্রিতে চাউর আছে অনেক নায়কই শীর্ষে যেতে পেরেছেন কেবল শাবনূরের বিপরীতে নায়ক হওয়ার কারণেই। বর্তমানে এ অভিনেত্রী অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছেন। কাজ শুরু করবেন বলেও নানা কারণে অনেকদিন কাজ থেকে দূরে তিনি। মুঠোফোনে সম্প্রতি বর্তমান ইন্ডাস্ট্রির হালচাল নিয়ে কথা বলেছেন শাবনূর।

 

 

তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন অনেকে বেশ ভালো কাজ করছেন। নতুনদের বেশি বেশি সুযোগ দিতে হবে। নতুন অভিনয়শিল্পী তৈরি করতে হবে আমাদের। সেক্ষেত্রে প্রযোজকদের অবদান অবশ্যই অন্যতম। আর পরিচালক তো শিল্পী তৈরির কারিগর। এখন একটা বিষয় শুনে আমার আফসোস হয় যে, একজন শিল্পীর সঙ্গে অন্য শিল্পীর ভাতৃত্ববোধ কমে গেছে। আবার দু’-একটি হিট ছবি দিয়েই পারিশ্রমিক দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে কারো কারো।

 

 

এটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য শুভদিক না। অবশ্যই পারিশ্রমিক বাড়বে একজন শিল্পীর। তবে তারও একটা সীমা থাকা উচিত। শাবনূর আরো জানান, আগে ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাতে হবে। তারপর তো পারিশ্রমিকের বিষয়। এখন ছবির সংখ্যা খুবই কম। তাই সকলের বিষয়টিতে নজর দেয়া উচিত। শুধু কোনো নায়িকা না, নায়কদেরও ইন্ডাস্ট্রিতে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সকলে মিলে কাজ করলেই ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াবে।

 

 

শাবনূর বলেন, আমি অস্ট্রেলিয়ায় আমার ছেলে আইজানকে নিয়ে ভালো আছি। অস্ট্রেলিয়ায় বেশিদিন থাকতে ইচ্ছা করে না। কয়েকদিন পরই দেশে ফিরব। দেশে এলে সিনেমা দেখা হয় আমার। এই যেমন জয়া আহসান, সিয়াম, পূজার অভিনীত ছবিগুলো মাঝে দেখেছি। মাঝে মাহির অভিনীত ছবিও দেখেছি। তাদের কাজ ভালো লেগেছে আমার। বর্তমানে ভালো কাজ হচ্ছে। এখন তো বাংলা সিনেমা বিদেশেও মুক্তি পাচ্ছে। দর্শক বেড়েছে।

 

 

সবশেষ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘এত প্রেম এত মায়া’ ছবিতে গান গেয়েছেন শাবনূর। এ ছবির কিছু অংশের কাজ হয়েছে। বাকি কাজও শেষ করার কথা রয়েছে তার। অভিনয়ের বাইরে পরিচালনাও করার ইচ্ছা আছে বলে জানান তিনি। তবে সে বিষয়ে ঘটা করে সামনে ঘোষণা দিতে চান।