প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   ময়নাতদন্ত; অপঘাত মৃত্যুতে মারা যাওয়া লোকদের স্বজনদের কাছে একটি পরিচিত শব্দ।কারো অপঘাতে মৃত্যু হলে কিংবা মৃত্যু নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে তখন থানা থেকে সেই লাশ পাঠানো হয় মেডিকেলে এবং সেখানেই করা হয় ময়না-তদন্ত।চলুন আজ জেনে নিই ময়নাতদন্ত সম্পর্কে।বাংলাদেশে ঢাকায় একমাত্র তিনটি সরকারী মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্ত করা হয় যেগুলো হল: ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ারদী মেডিকেল কলেজ।

 

 

 

 

 

 

 

এসব হাসপাতালে সুযোগ সুবিধা কেমন? রাজধানীর ময়নাতদন্তের মেশিরভাগই সম্পন্ন হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে।এখানে প্রতিদিন ময়নাতদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া হয় গড়ে পাঁচটি লাশের।সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে মামলার নম্বর লিখে লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হয় মেডিকেলে।সেখান থেকে একজন ডোমের সহায়তায় লাশের ফরেনসিক পরীক্ষা করেন ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ একজন।

 

 

 

 

 

ময়নাতদন্তে সুরতাহাল রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা হয় লাশের সাথে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে দ্বিমত থাকলে সেটা উল্ল্যেখ করে দেওয়া হয় ময়নাতদন্তের রিপোর্টে।মাঝেমাঝে করা হয় বিশেষ কোন অঙ্গ সংরক্ষণ যা পাঠানো হয় বিশেষায়িত গবেষণাগারে।এরপরে ময়নাতদন্ত শেষ হলে হাসপাতালে রিপোর্ট পাঠানোর পরে লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয় রোগীর আত্মীয়স্বজনকে।

 

 

 

 

 

তবে বেওয়ারিশ লাশ হলে কিংবা তদন্তের স্বার্থে লাশ সংরক্ষণের প্রয়োজন হলে সে লাশ রেখে দেওয়া হয় ঢাকা মর্গের হিমঘরে।ঢাকা মেডিকেলের মর্গে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে এখনো পরে আছে জঙ্গি হিসেবে ধৃত মোহাম্মদ জাহিদ এবং আহমের বাবুর লাশ।এখানে হিমঘরের পাঁচটি কেবিনে পঁচিশটি লাশ রাখা গেলেও বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা এরচেয়ে বেশি হওয়ায় প্রায়ই বেসরকারী মেডিকেলের হিমঘরের লাশ পাঠিয়ে দিতে হয়।

 

 

 

 

 

 

তবে ঢাকা মেডিকেলের ময়নাতদন্তের অবস্থা এমন হলেও শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ কিংবা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ারদী মেডিকেল কলেজের অবস্থা অনেক করুণ।সেখানে লাশ রাখার জন্য নেই পর্যাপ্ত স্থান এবং অনেকসময় মর্গের মেঝেতে লাশ্ন রেখে ময়নাতদন্ত করতে হয়।হিমাগারের অভাবে লাশ ভালোভাবে সংরক্ষণ করা যায়না এখানে।

 

 

 

 

 

 

পর্যাপ্ত লোকবল, উন্নতমানের যন্ত্র এবং অবকাঠামো না থাকার কারণে প্রায়শই এসব ময়নাতদন্তে ভুল থেকেই যায়।এছাড়া ময়নাতদন্তে দেরি হওয়ার কারণে লাশের আত্মীয়স্বজনকে পরতে হয় দীর্ঘসূত্রিতার ফাঁদে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট যেকোন মামলার ফলাফলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের উচিত আমাদের দেশের ময়নাতন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল গুলোতে আরো সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা।

এই বিভাগের আরো খবর :

বাংলাদেশ সহ ১১ দেশের হাজারকোটি টাকা চুরি করেছে উত্তরকোরীয় হ্যাকাররা
উপমহাদেশের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র
দুবাই বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল কেক তৈরি করেছে, এর দাম শুনলে আপনার মাথা খারাপ হয়ে যাবে…
বিমান ছিনতাইকারী কথা বলতে চায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে
টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রীর পদত্যাগ
মঙ্গলবার তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খালেদার বৈঠক
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
সংলাপে কোনো সমাধান আসেনি: মান্না
জাতিকে মেধাশূন্য করার চক্রান্ত চলছে : চরমোনাই পীর
স্বামীকে বেঁধে যৌনাঙ্গ কেটে নিলেন স্ত্রী
'পোল্যান্ডের লক্ষাধিক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে এই প্রতিদান পেল ইরান'
সরকারি দলের জয়লাভকে এগিয়ে রাখা হয়েছে : অলি
ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হবে: ব্যারিস্টার সুমন
‘একটি কালো মেয়ে’, শিক্ষণীয় গল্প