প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করার গেটওয়ে ‘পরিচয়’ (www.porichoy.gov.bd) চালু হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এই ওয়েবসাইটটি অনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

 

 

 

 

 

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

 

 

 

 

এছাড়া আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরীসহ আইসিটি বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, সরকারি সেবা পেতে জনগণকে যেন সরকারি অফিসগুলোতে যেতে না হয় তা আমার স্বপ্ন। তারই একটি অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতের সাথে পার্টনারশিপ করে আমাদের এই সফল উদ্যোগ।তিনি বলেন, সরকারি সেবাগুলো সহজে ও দ্রুততম সময়ে জনগণের মাঝে পৌঁছে দিতে চাই আমরা। আর সে লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।

 

 

 

 

 

এর আগে সভাপতির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে সরকার বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সেবাকে ডিজিটাল করছে। তেমনই এক যুগান্তকারী সেবা হচ্ছে ‘পরিচয়’। দীর্ঘদিন ধরেই তার নেতৃত্বে ‘পরিচয়’ নিয়ে কাজ করছিলাম আমরা।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, আজ সেটি সবার জন্য উন্মুক্ত হলো। আমরা সরকার গঠনের পর থেকেই সরকারি সেবাগুলো মানুষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসতে কাজ করে যাচ্ছি। এরই বহিঃপ্রকাশ এধরনের সেবা।

 

 

 

 

‘পরিচয়’ হচ্ছে একটি গেটওয়ে সার্ভার; যা নির্বাচন কমিশনের জাতীয় ডাটা বেসের সঙ্গে সংযুক্ত। এটি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং যা সরকারি-বেসরকারি বা ব্যক্তিগত যেকোনো সংস্থার গ্রাহকদের, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করে নিমিষেই সেবা দিতে পারবে।

 

 

 

 

কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা পোর্টালটিতে নিবন্ধের মাধ্যমে এবং নির্দিষ্ট ফি দেওয়া সাপেক্ষে কোনো নাগরিকের এনআইডি তথ্য যাচাই করতে পারবেন। এনআইডি-তে একজন নাগরিকের প্রায় ২৫ ধরনের তথ্য থাকলেও এনআইডি নম্বর থেকে ৫-৬ টি তথ্য যাচাই করা যাবে এই ওয়েবসাইটে।

 

 

 

 

এগুলো হচ্ছে- নাগরিকের নাম, বাবা ও মায়ের নাম-ঠিকানা, জন্ম তারিখ ইত্যাদি। তবে এসব তথ্য পেতে কোনো সংস্থা বা ব্যক্তিকে কত টাকা ফি দিতে হবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।