মুরগির মাংস আর ডিম আসলে নিরামিষ, এই দু’‌টি খাদ্যকে ‘‌আয়ুর্বেদিক’‌ হিসেবে ঘোষণা করুক আয়ুর্বেদিক মন্ত্রণালয়। রাজ্যসভায় আয়ুর্বেদ সংক্রান্ত আলোচনায় এমন আজব দাবি জানান শিবসেনার রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। 

তার এই মন্তব্যের জেরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের পাল্টা প্রশ্ন, তাহলে পাঁঠা কিংবা গরুর মাংসকে কেন নিরামিষ ঘোষণা করা হবে না।

রাজ্যসভায় নিজের বক্তব্য রাখার সময় সঞ্জয় রাউত বলেন, একবার আমি নানদারবার এলাকার এক গ্রামে গিয়েছিলাম। সেখানকার আদিবাসী মানুষরা এসে আমাকে একটি খাবার পরিবেশন করেন। আমি খাবারটির নাম জিজ্ঞাসা করায়, তারা আমাকে জানায়, সেটি আসলে ‘আয়ুর্বেদিক চিকেন’। 

তিনি আরো বলেন, তারা আমাকে বলেলে ওই মুরগিগুলোকে এমনভাবে যত্ন করা হয়, যা খাওয়ার পর বিভিন্ন রকমের অসুখও সেরে যেতে পারে।

তিনি দাবি করেন, যে কেন্দ্রীয় আয়ুর্বেদ, যোগা ও ন্যাচারোপ্যাথি মন্ত্রণালয়ের উচিত মুরগির মাংস আর ডিমকে নিরামিষ ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখা।

তার এই বক্তব্য নিয়ে মশকরা শুরু হয়। একজন প্রশ্ন করেন, কেন শুধু মুরগি, পাঁঠা বা গরুর মাংস নয় কেন? আরেকজন লেখেন, এ ধরনের নেতা মন্ত্রীরা দেশকে চালাচ্ছে না, দেশকে নষ্ট করছে। আরেকজন লেখেন, এটাই শোনার বাকি ছিল। অপর একজন লেখেন, তার মানে এবার ভেজ বিরিয়ানিতেও মুরগির লেগপিস খেতে পাওয়া যাবে।