প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত এইচ ই পিটার ফারেনহোল্টজ বলেছেন, ‘গ্রামীণ জনপদের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় সবার আগে উন্নত চিকিৎসাসেবার সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন আধুনিক হাসপাতাল প্রয়োজন।

 

 

 

 

বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা ও প্রসূতি মায়েদের সন্তান প্রসবে এর প্রয়োজন আরও বেশি।’

 

 

 

 

শুক্রবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে পল্লীবন্ধু এরশাদ হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

 

ফারেনহোল্টজ সচেতন রাজনীতিবিদ ও সমাজসচেতন তারুণ্যনির্ভর জনপ্রতিনিধিদের এ বিষয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনপ্রতিনিধিরা এসব সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসলে বাংলাদেশ উন্নয়ন আরও তরান্বিত হবে।

 

 

 

 

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সোলেমান আলী, ওসি এস এম আব্দুস সোবহান, স্থানীয় হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বিশ্বেশ্বর সরকার,উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান মণ্ডল,জহুরুল হক বাদশা,রেজাউল ইসলাম রেজা প্রমুখ।

 

 

 

 

এর আগে জার্মান রাষ্ট্রদূত ফারেনহোল্টজ বামনডাঙ্গার মনিরাম ফলগাছায় বেসরকারি ড্রাইভিং ইন্সটিটিউটের উদ্বোধন করেন।

 

 

 

 

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে রাষ্ট্রদূত দু’দিনের সফরে গত বৃহস্পতিবার বিমানে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর আসেন।

 

 

 

 

পরে সড়কপথে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পৌঁছান। পরে রাষ্ট্রদূত ফারেনহোল্টজ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে সুন্দগঞ্জের বেলকা খেয়াঘাট থেকে নৌকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন চর ঘুরে দেখেন।

 

 

 

 

দুপুরে তিনি হরিপুর ইউনিয়নের গেন্দুরাম চরে কয়েকশ’ বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।

 

 

 

বিকালে তিনি তারাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে বানভাসিদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি জানতে চান এবং ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

 

 

 

 

 

ত্রাণ বিতরণকালে স্বতস্ফূর্ত সমাবেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘকালের। অতীতের মতোই এ দেশের মানুষের দুঃসময়ে জার্মানি তাদের পাশে থাকবে।

 

 

 

 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি গভীর সহানুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে যুগ যুগ ধরে আপনারা মাথা উঁচু করে বেঁচে আছেন।

 

 

 

 

 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য তার দেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

 

 

 

 

 

পরে তিনি সুন্দরগঞ্জ সরকারি আমিনা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

 

 

 

 

 

ছাত্রীদের পরিবেশনায় মুগ্ধ ফারেনহোল্টজ বলেন, সুন্দর এই দেশটির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ইতিহাস রয়েছে।

 

 

 

 

 

যা সহজেই সবার হৃদয় জয় করে। পরে তিনি ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিকালেই তিনি সুন্দরগঞ্জ ত্যাগ করেন।

জুমবাংলানিউজ/এইচএম