প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:   স্কুল চলাকালীন ছাত্রছাত্রীদের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষিকা! দেখে তাজ্জব শিক্ষার্থীরা। কয়েকজন তো ভয় পেয়ে ক্লাস ছেড়ে দৌড় দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।

 

 

 

 

প্রধান শিক্ষিকা পুষ্পা সাউয়ের সঙ্গে সহ-শিক্ষিকা অঞ্জু ভগতের মারামারির ঘটনায় বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায় চাঁপদানিতে। অন্তঃসত্ত্বা পুষ্পা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দু’জনেই চন্দননগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভদ্রেশ্বর থানা সূত্রের খবর, দু’পক্ষই অভিযোগ, পাল্টা-অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রের খবর, চাঁপদানির পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫ বি এম লেনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পুষ্পার সঙ্গে সহ-শিক্ষিকা অঞ্জুর সংঘাত দীর্ঘদিনের। এদিন ঘটনার সময় ক্লাসে ছিলেন পুষ্পা। অঞ্জু হঠাৎ ক্লাসে ঢুকে বচসা শুরু করে দেন। এক অন্যকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করেন। তার পরেই দু’জনের মধ্যে মারামারি বেধে যায়।

 

 

 

 

 

এ সময় শিক্ষার্থরা চিৎকার, কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। অঞ্জুর অভিযোগ, ‘পুষ্পা আমাকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন!’ পুষ্পার মন্তব্য, ‘আমি অন্তঃসত্ত্বা জানার পরেও ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে লাথি মেরেছেন মঞ্জু! উনি আমাকে সরিয়ে প্রধান শিক্ষিকার পদ দখল করতে চাইছেন।’

 

 

 

 

 

 

স্কুলের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের অধিকাংশই গন্ডগোলের জন্য অঞ্জুকে দায়ী করেছেন। স্থানীয় কাউন্সিলর রাজেশ সিং বলেন, ‘দু’জনকেই ট্রান্সফার করার জন্য ডিআই’য়ের সঙ্গে কথা বলব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই আচরণ বরদাস্ত হবে না।’ চাঁপদানির পুরপ্রধান সুরেশ মিশ্র বলেন, ‘অভিভাবকদের অনেকেই আমাকে ফোন করে অসন্তোষ জানিয়েছেন।’