প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বসেছে একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন। নিয়ম রক্ষার এই অধিবেশনের মেয়াদ মাত্র চার কার্যদিবস। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই অধিবেশন। রোববার বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়।

 

 

 

 

অধিবেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, দেশের পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। আগামী নভেম্বরে নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি নেওয়া হবে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সাল থেকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

 

 

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ব্যাংক ড্রাফট প্রসঙ্গে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে নেওয়া অর্থ মওকুফ করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের আপাতত নেই।

 

 

 

 

অধিবেশনে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহাজাহান কামালের এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সংসদকে বলেন, ‘দেশের প্রতিটি গ্রামে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’

 

 

 

 

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। একইসঙ্গে নতুন নতুন কর্মসূচীও গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি গ্রামে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিভাবে নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০টি বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়হীন গ্রামে প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে এ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ১ হাজার ৪৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি শেষ হওয়ায় এর আওতায় নতুন কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের সুযোগ এ পর্যায়ে নেই।’

 

 

 

 

 

 

ভবিষ্যতে এ জাতীয় প্রকল্প চালু হলে নীতিমালার আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে বিদ্যালয়হীন গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সরকারের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।