প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কিভাবে সরানো হবে সে সিদ্ধান্ত আসতে পারে শনিবার। আওয়ামী লীগ নেতারা জানালেন, ঐদিন কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্দেশনা দেবেন। সম্মেলনের জন্য অপেক্ষা না করে অপসারণের কৌশল ঠিক করা হবে বলে জানালেন নেতারা।

 

 

 

 

শনিবার গণভবনে বসে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ও পার্লামেন্টারি বোর্ড যৌথ সভা। এর মূল এজেন্ডা ছিল রংপুর-৩ উপনির্বাচন এবং কয়েকটি উপজেলার প্রার্থী চূড়ান্ত করা। কিন্তু সেখানে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ঘিরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুব্ধ হয়ে শোভন-রাব্বানীকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।

 

 

 

 

সেই বৈঠকে ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। ছাত্রলীগের বিষয়েও দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনি। জানালেন, শোভন-রাব্বানীকে বাদ দেয়ার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা এখনও আসেনি।

 

 

 

ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা আরেক নেতা জানান, এদুজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সম্মেলন পর্যন্ত অপেক্ষা নাও করা হতে পারে।ছাত্রলীগকে বিতর্কমুক্ত ও গতিশীল করতেই বিকল্প চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানালেন নেতারা। ষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সম্মেলন পর্যন্ত অপেক্ষা নাও করা হতে পারে।