প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:   টুইন টাওয়ারে হামলার ১৮ বছর বা দেড় যুগ পূর্তি উপলক্ষে বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) মার্কিনিরা তাদের নিহত স্বজনদের স্মরণ করবে।

 

 

 

 

স্মৃতিতে অম্লান নাইন ইলেভেন, ১৮ বছর পর আরো একবার পরম শ্রদ্ধায় দিনটি পালন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিনিরা এখনো আল-কায়েদা, গণবিধ্বংসী অস্ত্র এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।

 

 

 

 

১৮ বছর আগে এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারসহ এক যোগে চালানো চারটি আত্মঘাতী হামলায় নিহত হয় অন্তত ৩ হাজার মানুষ। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

চারটি মার্কিন যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে এই হামলা চালানো হয়। দুটি বিমান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর ও দক্ষিণ টাওয়ারে আঘাত হানে। ধসে পড়ে ভবন দুটি।

 

 

 

 

আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ছিনতাই করা আরেকটি বিমান নিয়ে হামলা চালানো হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনে। তবে যাত্রীদের চেষ্টায় নির্ধারিত স্থানে হামলা চালাতে ব্যর্থ হয় বিমানটি।হামলার পর পরই যুক্তরাষ্ট্রের সন্দেহ গিয়ে পড়ে ওসামা বিন লাদেনের ওপর। শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান।

 

 

 

 

লাদেনকে জীবন দিয়ে সেই অভিযানের মূল্য দিতে হয় ১০ বছর পর ২০১১ সালে। এই দিনটি মার্কিন নীতিতে আমূল পরিবর্তন আনার পাশাপাশি মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতির। নাইন ইলেভেনের পর থেকে আল-কায়েদা যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতে পরিণত হয়েছিল।

 

 

 

 

লাদেনের মৃত্যুর পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিলেন, লাদেনকে হত্যা করার মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করেছে।

 

 

 

 

তবে সম্প্রতি এপি-র এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৯৪ ভাগ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জয় হয়নি৷ মাত্র ১৪ ভাগ মনে করেন আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধরে জয়ী হতে পারে।আফগানিস্তানের তালেবান যোদ্ধারা আবারো মার্কিনিদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

 

 

 

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সাথে শান্তি আলোচনা বাতিল করায় আরো বেশি মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আফগান তালেবান।

 

 

 

 

 

তালেবান মুখপাত্র জাবিহউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ট্রাম্প তালেবানের সাথে শান্তি আলোচনা বাতিল করায় যুক্তরাষ্ট্রের আরো বেশি ক্ষতি হবে। এতে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হবে, শান্তি-বিরোধী অবস্থান বিশ্বের কাছে প্রকাশ পাবে এবং জীবন ও সম্পদহানি বাড়বে। তালেবানের এমন ঘোষণার পর থেকে মার্কিন নাগরিকরা সতর্ক হয়ে চলাফেরা করছেন।