14 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  বাংলাদেশ ব্যাংক একটি কায়েমি স্বার্থবাদী মহলের হাতে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে এবং সংকটে জর্জরিত ব্যাংক খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিবর্তে তা ব্যাংক খাতকে আরও বেহাল অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে’ বলে দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

 

 

 

 

সম্প্রতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়,‘বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নিজেদের নীতিমালাকেই পাশ কাটিয়ে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ৪৩০ কোটি টাকা ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে।

 

 

 

 

এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক একটি কায়েমি স্বার্থবাদী মহলের হাতে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে এবং সংকটে জর্জরিত ব্যাংক খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিবর্তে তা ব্যাংক খাতকে আরও বেহাল অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে’।

 

 

 

 

বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যেভাবে বেক্সিমকো লিমিটেডকে ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, তা নজিরবিহীন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক যে ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে, তারই প্রমাণ।’

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘বেক্সিমকো লিমিটেডের যে ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের খবর বেরিয়েছে তা চাহিদা ঋণ, সংজ্ঞাগতভাবেই পরিশোধের মেয়াদ এক বছরের বেশি হওয়ার নিয়ম নেই। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের বৃহৎ ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ নীতিমালায় তারা এক দফা অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে।

 

 

 

 

এখন আবার সেই নীতিমালাকে পাশ কাটিয়ে তাদের ছয় বছরের জায়গায় ১২ বছরে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যেন প্রতিষ্ঠানটি খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হওয়া থেকে বেঁচে যেতে পারে। সংবাদমাধ্যম থেকে আমরা আরও জানতে পেরেছি যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি গোপন রাখতে কোনো সার্কুলারও দেয়নি। এভাবে জনগণকে অন্ধকারে রেখে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার ঘটনায় আমরা রীতিমতো আতঙ্কিত বোধ করছি।’