প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: দেশের দুই শীর্ষ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি গ্রামীণফোন ও রবিতে প্রশাসক বসিয়ে পাওনা টাকা আদায় করতে চায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সরকারের সায় আছে। পাশাপাশি আইনেও প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

 

 

 

 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো অপারেটর লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে তার লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিত করতে পারে বিটিআরসি। লাইসেন্স স্থগিত করা হলে সরকারের অনুমোদন নিয়ে প্রশাসক (অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা রিসিভার) নিয়োগ দেওয়া যায়।

 

 

 

 

প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলে অপারেটরদের পরিচালনা পর্ষদ ও প্রধান নির্বাহীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না। বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের নিয়োগ করা প্রশাসক প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি না করে পাওনা টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। পরিশোধ করা শেষ হলে সরকারও প্রশাসক তুলে নেবে। এখন পর্যন্ত এটাই চিন্তা।

এই বিভাগের আরো খবর :

৪২তম কলকাতা বই মেলার উদ্বোধন আজ
ড. কামালের নেতৃত্বে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’র যাত্রা শুরু
তিন দিনের বাছুর ডেকে এখন বলছেন শাসন করেছি
সরকারই আদালত অবমাননা করেছে: মির্জা ফখরুল
মার্কিন ভুল নীতির কারণেই সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়েছে: ইরান
মিসরে ৪০ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে হত্যা
বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম কারাগারে
যুক্তরাষ্ট্রে লাখো নারীর ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এখন সোনালি অধ্যায় চলছে
মধ্যম বাজেটের দুর্দান্ত স্মার্টফোন আনল জেডটিই নুবিয়া
অসামাজিক কাজ রেস্টুরেন্টের গোপন কক্ষে , আটক ১১
চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭.৬৫%
মুসলিমরা পাহাড়া দিচ্ছে মন্দির!
যা ঘটেছিল সিলেট নির্বাচনে