11 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  চট্টগ্রামে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হারিয়ে যাওয়া সেই ল্যাপটপ সাত বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ল্যাপটপটি ব্যবহার করেই রোহিঙ্গাদের নাম জাতীয় পরিচয়পত্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতো বলে সম্প্রতি তদন্তে বেরিয়ে আসে। এ ঘটনায় মোস্তফা ফারুক (৩৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

 

 

 

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মো. শহীদুল্লাহ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নগরীর হামজারবাগের মোমিনবাগ আবাসিক এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন মোস্তফা। তিনি ফেনী জেলা সদরের লস্করহাট দমদমা এলাকার মো. ইলিয়াছের ছেলে। মোস্তফা এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত। তার কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি নির্বাচন কমিশনের চুরি যাওয়া ল্যাপটপ।

 

 

 

 

 

তিনি জানান, মোস্তফা ফারুকের কাছ থেকে জব্দ করা দুটি পেনড্রাইভে রোহিঙ্গাদের তথ্য এবং নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
তার কাছ থেকে ল্যাপটপ ও পেনড্রাইভের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের একটি মডেম, আইডি কার্ড লেমিনেটিং করার ৫০টি কাগজ, তিনটি সিগনেচার প্যাড ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে উপ-কমিশনার মো. শহীদুল্লাহ জানান।

 

 

 

ওই ল্যাপটপ তার বাসায় কীভাবে গেল তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২০০৭-২০০৮ সালে ব্যবহৃত কিছু অকেজো ল্যাপটপ নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় আরও অন্তত পাঁচটি ল্যাপটপ হারিয়ে যায়। যার দুটি জালিয়াত চক্রের হাতে পড়ে বলে তদন্ত দলের সন্দেহ।

 

 

 

 

সম্প্রতি এক রোহিঙ্গা নারী ভুয়া এনআইডি সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে পাসপোর্ট নিতে গিয়ে ধরা পড়েন। এর পর জালিয়াত চক্রের খোঁজে নামে নির্বাচন কমিশন। রোহিঙ্গা সন্দেহে অর্ধশত এনআইডি বিতরণ আটকে দেয় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ।