6 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা, রিপোর্ট:  সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞায় শোরগোল পড়ে গেছে ক্রিকেট বিশ্বে। তার শাস্তির পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য করছেন সাবেক ও বর্তমান রথী-মহারথীরা। শুরু থেকেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের শাস্তির পক্ষে সোচ্চার সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভন। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ সেরা ক্রিকেটারের শাস্তি কম হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

 

 

 

 

সাকিব নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর পরই এ নিয়ে টুইট করেন ভন। সঙ্গে সঙ্গে রোশানলে পড়েন তিনি। তার সঙ্গে শুরু হয়ে যায় ক্রিকেটপ্রেমীদের ‘যুদ্ধ’। তবে কিছুতেই পিছু হটছেন না ইংলিশম্যান। ফলে যুদ্ধ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

 

 

 

 

 

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় সবধরনের ক্রিকেটে সাকিবকে দুই বছর নিষিদ্ধ করে আইসিসি। তবে তিনি দায় স্বীকার করে নেয়ায় এক বছর সাজা স্থগিত রাখা হয়। এতেই চটে যান ভন। টুইটবার্তায় তিনি জানান,সাকিব যে শাস্তিই পাক, তার জন্য সমবেদনা নেই। এসময়ে ক্রিকেটাররা কী করতে পারবে এবং কী পারবে না, তা বলে দেয় আইসিসি। এমনকি তাদের কী কী জানাতে হবে, সেটাও বলে দেয়া হয়। দুই বছর যথেষ্ট না। আরো বেশি শাস্তি হওয়া উচিত ছিল তার।

 

 

 

 

 

পরিপ্রেক্ষিতে সেই টুইটে হামলা চালান ক্রিকেটপ্রেমীরা।অবশ্য অধিকাংশই বাংলাদেশি। ভনের সমালোচনায় মুখর হন তারা। সেখানেই একজন লেখেন,আগে সাকিবের পর্যায়ে এসো। জবাবে সাবেক ইংলিশ তারকা লেখেন, আমি গড়পড়তা ছিলাম, স্বীকার করছি। তবে দুর্নীতিগ্রস্ত ছিলাম না।

 

 

 

পরে সমালোচনাকারীদের তাক করে বেশ কয়েকটি টুইট করেন ভন। এর একটিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি লেখেন, যারা গালাগালি করছেন, তাদের উদ্দেশে বলছি, দুর্নীতি নিয়ে আমার কোনো আপস নেই। আপনি খেলোয়াড় কেমন, কোন দলে খেলছেন, সেটি মূখ্য বিষয় নয়। এখন ক্রিকেটাররা জানে কোন কাজটি করা যাবে, আর কোনটি যাবে না। তারা এও জানে, সেরকম কিছু হলে অবশ্যই আইসিসিকে জানাতে হবে। সেটি না করার পরিণতিও জানে।

 

 

 

 

 

ভনের এ টুইটে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানে গত বছর অক্টোবরে প্রকাশিত একটি সংবাদের লিংক জুড়ে দেন একজন।এর শিরোনাম ছিল স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত ক্রিকেটারদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ইংলিশ খেলোয়াড়েরা। তিনি মন্তব্য করেন, এ নিয়ে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সাকিব দুর্নীতিগ্রস্ত নন। সে একটি ভুল করেছে মাত্র। কোনো অপরাধ করেনি।ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড নিয়ে কথা উঠলেই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন আপনারা।

 

 

 

 

 

এখানেই শেষ নয়। ভনের উদ্দেশে একজন লেখেন, ‘আইসিসিকে না জানানোটা দুর্নীতি নয়, ভুল। এ দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারলে ফের স্কুলে যাওয়া শুরু করুন। জবাবে ইংল্যান্ড সাবেক কাপ্তান লেখেন, ‘বাচ্চাদের রাখতে আমি প্রতিদিনই স্কুলে যাই। এখন সব খেলোয়াড়ই নিয়ম জানে। প্রস্তাব পেলে সেটা জানিয়ে দিতে হয়। সে তা করেনি। ও দুর্নীতিগ্রস্ত। এতেই প্রতীয়মান, ভনের সঙ্গে ক্রিকেটপ্রেমীদের যুদ্ধ আরও অনেক দূর গড়াবে।