প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট : পেশাদারি দুনিয়ায় বিশ্বাস আর আনুগত্য বড়ই দুর্লভ দুটি বিষয়। প্রতিষ্ঠান বা এর প্রধান যেমন চান কর্মীদের আনুগত্য, তেমনি কর্মীরাও চান প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকুক। বিশ্বাসী কর্মী পাওয়া যেমন কঠিন, তেমনি সহজলভ্য নয় নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। নানা কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধতে পারে। যেমন—

অঙ্গীকারের অভাব

অঙ্গীকারের অভাব যেখানে, সেখানেই শুরু অবিশ্বাসের। নিয়োগদাতা ও প্রাপ্তদের সম্পর্কের অন্যতম ভিত এই অঙ্গীকারবদ্ধতা। এর অভাব ডেকে আনতে পারে অবিশ্বাস, প্রতিষ্ঠানের জন্য বয়ে আনতে পারে ক্ষতি।

 

দূরদর্শিতার অভাব

নিয়োগপ্রাপ্তদের আনুগত্য হারানোর অন্যতম কারণ নিয়োগদাতাদের দূরদর্শিতার অভাব। দূরদর্শী কর্তাদের সব কর্মী পছন্দ করে। আর পছন্দ থেকেই আসে আনুগত্য আর নির্ভরতা।

অনাস্থা

নানা কারণেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনাস্থা জন্মাতে পারে কর্মচারীদের। আর এটা যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে সব সময় সতর্ক থাকতে হয় কর্মকর্তাদের। এই অনাস্থা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে।

 

পণ্যের মানহীনতা

অনেকে মনে করেন, পণ্যের মানহীনতার জন্য কর্মীরাই দায়ী। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় সুদক্ষ ও কর্মীবান্ধব কর্মকর্তাদের অভাবও এ জন্য যথেষ্ট দায়ী। মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের জন্য দুই পক্ষেরই সমান ভূমিকা আছে।

নীতিবোধহীন আচরণ

প্রতিটি মানুষেরই বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে নৈতিক আচরণ কাম্য। তবুও অনেক ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অধীনদের সঙ্গে নীতিবোধহীন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ফলে তাঁরা কর্মীদের আনুগত্য ও ভালোবাসা হারান।

দুর্নাম

অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের নানা রকম দুর্নাম থাকে। আর্থিক খাতে অনিয়ম থেকে শুরু করে আরো অনেক রকম দুর্নামের কারণে তাঁদের ওপর খুব সহজেই আস্থা হারায় অধীনস্তরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো প্রতিষ্ঠান।

অদৃশ্য আদেশ

কর্মীরা তাঁকে দেখে না। তিনি কখনো প্রকাশ্যে আসেন না। শুধু তাঁর আদেশ-প্রত্যাদেশগুলো কর্মীদের কাছে আসতে থাকে। ‘অদৃশ্য’ এসব কর্তাদের প্রতি খুব সহজেই কর্মীদের অবিশ্বাস বা অনাস্থা আসতে পারে।

–চিটশিট অবলম্ব্বনে ইমরোজ বিন মশিউর