প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  অবসরপ্রাপ্ত কমরেড ডেভিড ফ্রাভর নেভির পাইলট হিসেবে ১৮ বছর পার করেছেন। কিন্তু এই দীর্ঘ  সময়ের মধ্যে একটা ঘটনাই তাকে চমকে দিয়েছে।২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর যা ঘটেছে তার রহস্য তিনি আজও সমাধান করতে পারেননি।

 

এবিসি নিইজের কাছে স্মৃতিচারণ করেন, আমি এ কথা বলতে পারি, ওটা এ পৃথিবীর ছিল না। আমি পাগল নই। তখন আমি মদ্যপ ছিলাম না। প্রায় ১৮ বছর বিমানচালক হিসেবে কাজ করার পর আকাশের অনেক কিছুই দেখেছি। কিন্তু ওই সময় যা দেখেছিলাম তার হিসেব আলাদা।

 

ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের আকাশে ৪০ ফুটের মতো দীর্ঘ পাখাবিহীন এক উড়ন্ত যানের পিছু নেন তিনি। ওটার গতি ছিল অচিন্তনীয়। ওটার চলাফেরা এমন ছিল যে পেন্টাগন ওটাকে ভিনগ্রহের উড়ন্ত যান বলেও ধরে নিয়ে নতুন এক গোপন প্রগ্রাম শুরু করে।

 

ফ্রাভর বলতে থাকেন, আমার জীবনে এমন দৃশ্য দেখিনি। ওড়ার ইতিহাসে এমন কিছু রয়েছে কিনা জানা নেই। ওটার চলাফেরার ধরন ও গতি কথা এখনও স্পষ্ট মনে আছে। পরিষ্কার দেখেছি, ওটার কোনো পাখা ছিল না।

 

 

ট্রেনিং মিশনে একটি এফ/এ-১৮ ফাইটার বিমান চালাচ্ছিলেন তিনি। আজ থেকে ১৩ বছর আগে চমৎকার এক দিনে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় উড়ছিলেন তিনি। জলে চলমান নেভির কন্ট্রোলার জাহাজ আকাশে ৮০ হাজার ফুট ওপর থেকে কিছু একটা নিচে পড়ার ঘটনা শনাক্ত করতে পারে। আমাদের তা জানানো হয়। আকাশে ওড়া ছড়াআ এবার কোনো কাজ পেয়ে খুশি হই আমরা। রাডারে কিছু একটা ধরা পড়ে। ওটাকে দেখতে পাই আমরা। নিচের দিকে তাকিয়ে আছি। অদ্ভুত জিনিসটা ডান-বাম বা ওপর-নিচ করছে এলোমেলোভাবে। ওটাকে পাখা ঘুরছে এমন কিছুই দেখতে পেলাম না। ওটার গতিবিধি আরো ভালোমতো বুঝতে আমরা নিচে চলে আসি। আরো কাছ থেকে দেখার জন্যে। কিন্তু বস্তুটি চোখের পলকে আমাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে চলে গেলো।

 

পরে কি আর করা? আমরা প্রশিক্ষণের বাকি অংশ শেষ করতে মন দেই। পরে প্রশিক্ষণকালে যাদের দৃষ্টিতে এটি পড়ে, তারা সবাই বিস্ময়ের ঘোরে ছিলেন। এমন জিনিস কেউ গোটা জীবনে দেখেননি।

 

এমনই আরেকজন মেরিনের সাবেক কর্নেল স্টিফেন গ্যানিয়ার্ড। বললেন, এই পৃথিবীর কোনো উড়ন্ত যান এত দ্রুত উড়তে পারে না। আমি জানি না ওটা ভিনগ্রহের প্রাণী ছিল কি না। এটা আদৌ আছে কিনা তাও জানি না। তবে যেটা দেখেছি, সেটা এই গ্রহের কোনো বস্তু নয়।

 

তবে পরবর্তিতে ওই ঘটনা নিয়ে আর বেশি তদন্ত করা সম্ভ হয়নি।