প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: ‘মানুষের আয়ু কিভাবে বাড়ানো সম্ভব?? কিভাবে সুখে থাকা সম্ভব?’ আসুন রহস্যের সমাধান করা যাক! বিজ্ঞান খুঁজে পেয়েছে তার সমাধান, যদিও সেটা শুধুমাত্র পুরুষের জন্য আপাতত সীমাবদ্ধ! ভারতীয় সমাজে আপাত দৃষ্টিতে পুরুষতান্ত্রিকতার প্রভাব এখনো দৃশ্যত, হলে আজও সারাদিন ঘরের বাইরে বেশির ভাগ সময় কাটে পুরুষের তাই দরকার কিছুটা বিশ্রাম! জার্মানের একদল গবেষক দাবি করেছেন, নারীর স্তন-দর্শন পুরুষের আয়ু বাড়ানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নারীর শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ পুরুষদের কাছে বক্ষস্থল। স্তনের আকারের উপর ভালো বর জোটে। স্তনের আকার পরিবর্তনে নষ্ট মেয়ের খেতাব জোটে! আমাদের সমাজে এই ধরনের কথাও এখনো প্রচলিত। প্রায় সব ক্ষেত্রেই যে মাপকাঠি দিয়ে নারীর স্তনের সৌন্দর্যের বিচার করা হয়, তা হলো পুরুষের চোখ। যুগ যুগ ধরে পুরুষের মন নারীর স্তনের সৌন্দর্যে বিভোর থেকেছে বলেই জানা যায়। যদিও নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য তাঁর ব্যক্তিত্বে।

 

 

 

 

 

বিতর্ক চলতে থাকে, স্তনের উপর কার অধিকার বেশি, স্বামী না সন্তানের? কী অদ্ভুত! পৃথিবীতে ছয়শ কোটি মানুষের মধ্যে অর্ধেক নারী। তিনশ কোটি নারীর ছয়শ কোটি স্তন। বিষয়টা আমাদের সবার জন্যই তাই খুব স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কারণ, দুর্লভ জিনিসের প্রতিই নাকি মানুষের টান, আর সে হিসাবে নারীর স্তন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কিন্তু দুর্লভ নয়। অথচ স্তন শব্দটা আজও যেন রহস্যময়। ভয়, লজ্জা, উৎকণ্ঠা, উত্তেজনা তৈরি হয় এই শব্দটাতেই। পুরুষত্বের জন্য তো বটেই, নারীর জন্যও এ এক অন্য জগৎ।

 

 

 

 

 

‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে’ প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনে অন্তত ১০ মিনিট নারীদের স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকলে পুরুষদের আয়ু বাড়বে গড়ে পাঁচ বছর। কারণ এভাবে তাকিয়ে থাকা ৩০ মিনিট ওয়ার্কআউটের সমান। গবেষকরা পাঁচ বছর ধরে প্রায় ২০০ জন পুরুষের ওপর এ গবেষণাটি চালান। গবেষণায় অংশ নেওয়া ১০০ জন পুরুষকে নারীদের স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয়। বাকিদের ঠিক উল্টো কাজ করানো হয়। দেখা গেছে, যাদের নারীদের স্তনের দিকে তাকাতে বলা হয়েছিল, তাদের রক্তচাপ অনেক কম, হৃৎপিণ্ড অনেক বেশি সচল এবং সুস্থ। এও আবার হয় নাকি! অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি। অন্তত জার্মান গবেষকদের এমনটাই দাবি। দিনে অন্তত ১০ মিনিট টানা মহিলাদের স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকলে নাকি পুরুষদের আয়ু বাড়বে গড়ে পাঁচ বছর! কারণ এ ভাবে তাকিয়ে থাকা নাকি ৩০ মিনিট ওয়ার্কআউটের সমান। সম্প্রতি ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন’-এ প্রকাশ হয়েছে এমনই গবেষণাপত্র। প্রায় ২০০ জন পুরুষের ওপর পাঁচ বছর ধরে চালানো হয়েছে এই গবেষণাটি।

 

 

 

 

 

এর মধ্যে ১০০ জনকে মহিলাদের স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয়েছিল। বাকিদের ঠিক উল্টো কাজ করানো হয়। দেখা গিয়েছে, যাঁদের তাকাতে বলা হয়েছিল, তাঁদের রক্তচাপ অনেক কম। দিনে মাত্র দশ মিনিট কোনো মহিলার স্তন দেখলে পুরুষের আয়ু পাঁচ বছর অব্দি বাড়ানো সম্ভব। হ্যাঁ সত্যি, শুনতে অস্বস্তিকর লাগলেও এটা সত্যি! বলা হচ্ছে, মহিলাদের স্তন দেখার ফলে পুরুষের কিছুটা যৌনানুভূতি জাগে, মন খুশি থাকে আর সুস্থ মন তো সুস্থ জীবনের পরিচায়ক। এছাড়া, উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করো এই মনশান্তি অনুভূতি! কিছু লোকের উপর ওষুধ ও কিছু লোকের উপর করা এই পদ্ধতির গবেষণা প্রমাণ করছে সত্যিই এটি কার্যকরী প্রক্রিয়া! বলছে, দশ মিনিট স্তন দেখা কয়েক ঘন্টা জিমে কাটানো বা যোগ ব্যায়ামের সমানুপাতিক!

 

 

 

 

 

 

ওই গবেষকদের আরও দাবি, নিয়মিত নারীদের স্তনের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও অনেকটা কমে যায়। স্তন হল প্রজনন এবং সন্তানপালনের একটি প্রধান অংশ। স্তনকে জীবনের আধার বলা যায়। নিছক যৌনতা নয়, এ সুন্দর অনুভবের জন্যেও মেয়েদের বক্ষস্থলের প্রতি পুরুষের আকর্ষণ তৈরি হয়। মেয়েদের জন্য কিছুটা অপ্রস্তুত অনুভূতি দিলেও ছেলেদের মস্তিস্ক ঠান্ডা করতে এটি জরুরী, বলছে গবেষণা!