প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন। তাদের অনেকেই জিতেছেন। মহাজোট থেকে মনোনীতরা সবাই জিতেছেন। বিএনপি মনোনয়ন নিয়ে জিতেছেন মাত্র একজন। সবার দৃষ্টি ছিল বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজার দিকে। মাশরাফি নড়াইল-২ আসনে ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

 

 

 

 

 

সাবেক জাতীয় ফুটবলার আবদুস সালাম মুর্শেদি ২ লাখ ২৩ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনে মাশরাফির মতো তারও অভিষেক হয়েছে। বাংলাদেশ অভিষেক টেস্ট দলের অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয় ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মানিকগঞ্জ-১ আসনে নাঈমুর ২ লাখ ৫১ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার আবদুল হামিদ ৫৬ হাজার ৪৪৭। সাবেক অ্যাথলেট মাহবুব আরা বেগম গিনি গাইবান্ধা-২ আসন থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। ১ লাখ ৮৯ হাজার ভোট পান তিনি।

 

 

 

 

 

 

ক্রীড়াবিদদের চেয়ে ক্রীড়া সংগঠকরা নির্বাচিত হয়েছেন বেশি। তাদের প্রায় সবাই আবাহনীর কর্মকর্তা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি ও ঢাকা আবাহনীর পরিচালক সাবের হোসেন চৌধুরী জিতেছেন বড় ব্যবধানে। ঢাকা-৯ আসনে সাবের হোসেন চৌধুরী ২ লাখ ২৪ হাজার ২৩০ ভোট পান।বাফুফের সহ-সভাপতি ও ঢাকা আবাহনীর ভারপ্রাপ্ত ডাইরেক্টর ইনচার্জ কাজী নাবিল আহমেদ আবারও এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। যশোর-৩ আসনে কাজী নাবিল ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়েছেন। ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি নাজমুল হাসান কিশোরগঞ্জ-৬ আসন থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯০৫ ভোট পান।

 

 

 

 

 

 

ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন আইসিসি ও বিসিবির সাবেক সভাপতি আ হ ম মোস্তাফা কামাল। কুমিল্লা-১০ আসনে তিনি ৪ লাখ ৫ হাজার ২৯৯ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হক চৌধুরী মাত্র ১২ হাজার ভোট পেয়েছেন। এই একটি আসনে ক্রীড়াঙ্গনের দুই ব্যক্তি লড়াই করেছেন। মনিরুল হক চৌধুরী মোহামেডান ক্লাবের শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। চট্টগ্রাম আবাহনীর মহাসচিব শামসুল হক চৌধুরী এমপি চট্টগ্রাম-১২ আসনে ১ লাখ ৮১ হাজার ভোট পেয়ে পুনরায় সংসদ সদস্য হন। চট্টগ্রাম আবাহনীর চেয়ারম্যান এমএ লতিফ চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে আবারও এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম রাজশাহী-৬ আসনে ২ লাখ ৬০ হাজার ভোট পান। ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের সভাপতি গাজী গোলাম দস্তগীর নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ২ লাখ ৪৩ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার মাগুরা-২ থেকে জিতেছেন পুনরায়। ২ লাখ ৩০ হাজার ১২৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার বিপরীতে নিতাই রায় পান মাত্র ৫২ হাজার ভোট। মাগুরা-২ আসনে বীরেন শিকদার ২ লাখ ৩০ হাজার ১২৩ ভোট পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিতাই রায় ৫২ হাজার ৯ ভোট পান।

 

 

 

 

 

 

 

সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং বর্তমান যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫, আবাহনীর পরিচালক ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু কেরানীগঞ্জ-৩, সাবেক ফুটবলার ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়া-২, ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের পরিচালক ও খুলনা আবাহনীর পৃষ্ঠপোষক শেখ হেলাল (বাগেরহাট-১), বিওএ’র সাবেক সহসভাপতি লে. কর্নেল ফারুক খান এমপি গোপালগঞ্জ-১, সাবেক ফুটবলার একরামুল করিম চৌধুরী নোয়াখালী-৪, জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদ আহসান রাসেল গাজীপুর-২ আসনে নৌকার বৈঠা বেয়ে উতরে এসেছেন।

 

 

 

 

 

 

এছাড়া উশু ফেডারেশনের সভাপতি ড. আবদুস সোবহান গোলাপ মাদারীপুর-৩, কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান মাদারীপুর-২, ক্যারম ফেডারেশনের সভাপতি জুনাইদ আহমেদ পলক নাটোর-৩, কাবাডি ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান মোল্লা ঢাকা-৫, একই ফেডারেশনের আরেক সাবেক সভাপতি নুর মোহাম্মদ কিশোরগঞ্জ-২, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের সাবেক কর্মকর্তা জহিরুল হক মোহন নরসিংদী-৩ (শিবপুর), শুটিং ফেডারেশনের সাবেক সহসভাপতি ফজলে করিম চৌধুরী চট্টগ্রাম-৬ নৌকা প্রতীক নিয়ে জিতেছেন। ধানের শীষ প্রতীকে একমাত্র জয় পেয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

 

 

 

 

 

মোহামেডানের গভর্নিং বডির এই সাবেক সদস্য সচিব ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হারলেও বগুড়া-৬ থেকে জয়ী হয়েছেন। এছাড়া হেরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮, সাবেক ফুটবলার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ভোলা-৩, বাফুফের সাবেক সভাপতি ও এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ চট্টগ্রাম-১৪, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সাবেক সভাপতি শেখ ফরিদউদ্দিন আহমদ মানিক চাঁদপুর-৩, মোহামেডান ক্লাবের সাবেক পরিচালক বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন ফারুক নোয়াখালী-২, সাবেক ক্রীড়া সাংবাদিক আফজাল এইচ খান ময়মনসিংহ-১ আসনে।

 

 

 

 

 

 

এদের বাইরেও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরিন নাটোর-১, সাবেক তারকা ফুটবলার সাজ্জাদ হোসেন লাভলু সিদ্দিকী মাদারীপুর-১, বাংলাদেশ কুস্তি ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা-৪, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম ঢাকা-১৩, ঢাকা মোহামেডানের সাবেক সহসভাপতি শরিফুল আলম কিশোরগঞ্জ-৬, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিলদার হোসেন সেলিম সিলেট-৪ ও খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা-২ এবং মোহামেডানের কর্মকর্তা আবদুস সালাম বাগেরহাটে হেরেছেন।

এই বিভাগের আরো খবর :

বর্ষায় কেমন জুতা কিনবেন
শিক্ষার্থীদের দমন-পীড়ন বারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী
আকাশ থেকে মাথায় পড়লো গরু
কিউবায় গেলেই রহস্যজনক রোগ হচ্ছে কূটনীতিকদের!
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য জুরি বোর্ড গঠন
স্বামী হঠাৎ দেখলেন তার বউ গর্ভবতী, বাচ্চার বাবা কে জিজ্ঞেস করতেই অঝোরে কেঁদে উঠলো স্ত্রী….
পালন করব সব উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিই : ওবায়দুল কাদের
বাইক থেকে চলন্ত বাসে চকলেট বোমা নিক্ষেপ
আগুন দিয়ে চুল কাটেন পাকিস্তানি নর-সুন্দর!
জাঙ্গিয়া নিয়ে অসতর্কতা পুরুষত্বহীনতাও ঘটতে পারে, ৮ নিয়ম জেনে নিন
ইসলামী ব্যাংক ও ঢাকা সি‌টি ফি‌জিও‌থেরা‌পি হাসপাতা‌লের ম‌ধ্যে চুক্তি সম্পন্ন
সরকারের জেদের কারণে পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে না: নজরুল
তারেক আর বাংলাদেশি নন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নৌবাহিনীর নতুন প্রধান আওরঙ্গজেব চৌধুরী
কীভাবে এলো নৌকা, ধানের শীষ, লাঙ্গল?