প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে স্থগিত হওয়া তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। মাত্র ৪১৫টি ভোট পেলেই এ আসনে জয়লাভ করবে বিএনপি প্রার্থী।বুধবার (৯ জানুয়ারী) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ চলবে।ভোটকেন্দ্র তিনটি হচ্ছে আশুগঞ্জ উপজেলার যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সোহাগপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

 

 

 

এদিকে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী উকিল আবদুস সাত্তার নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, আসনটির তিন কেন্দ্রের মোট ভোটারের মধ্যে মৃত ও প্রবাসী মিলে রয়েছে ৫৬৩ জন ভোটার।লিখিত অভিযোগে বলা হয়, এই ৫৬৩ ভোট বাদ দিয়ে স্থগিত তিন কেন্দ্রের শতভাগ ভোট কাস্ট হলে এবং এ সব ভোট তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে পড়লেও তিনি ১৪৮ ভোটে বিজয়ী থাকবেন।

 

 

 

 

এই তিনটি কেন্দ্রে মোট ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ৫৭৪টি। তবে ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে আছেন ১০ হাজার ১৫৯ ভোটে।এই তিন কেন্দ্রের ভোট বাদ দিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপির আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া ৮২ হাজার ৭২৩ ভোট পান। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঈন উদ্দিন মঈন (কলার ছড়া প্রতীকে) ভোট পেয়েছেন ৭২ হাজার ৫৬৪ ভোট।

 

 

 

 

 

এই আসনটি মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ১৩ জন।এরই মধ্যে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন অফিস।নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থগিত তিনটি কেন্দ্রে ৩৩৯শ’ জন পুলিশ ও ১৩৬ জন আনসার এবং দুই প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবেন।এছাড়াও তিন কেন্দ্রে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে। মঙ্গলবার রাতেই পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হয়।

 

 

 

 

 

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে ২৯৮টি আসনের মধ্যে এককভাবে ২৫৭টি আসনে জয় পায় আওয়ামী লীগ। এছাড়াও আওয়ামী লীগের জোট শরিক জাতীয় ২২টি, বিএনপি ৫টি, গণফোরাম ২টি, বিকল্পধারা ২টি, জাসদ ২টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি, তরিকত ফেডারেশন ১টি, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) ১টি এবং স্বতন্ত্র ৩টি আসন পায়।