প্রথমবার্তা,প্রতিবেদকঃ   হজই একমাত্র ইবাদত, যার নিয়ত করার সময়ই আল্লাহ তা’আলার কাছে সহজতা ও কবুলের দু’আ করা হয়। অন্যান্য ইবাদত থেকে হজের আমলটি যে কঠিন তা এ থেকেই স্পষ্ট। হজের সঠিক মাসআলার জ্ঞান যেমন জরুরি, তেমনি তা আদায়ের কৌশল এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে করণীয় বিষয়গুলোর প্রতি পূর্ণ খেয়াল রাখাও জরুরি।

 

 

 

 

 

 

হজে যে সকল ভুল হতে দেখা যায়, তা সাধারণত উদাসীনতার কারণেই হয়ে থাকে। তাই এ নিবন্ধে সচরাচর ঘটে থাকে এমন কিছু ভুল কয়েক পর্বে উল্লেখ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। প্রথম পর্বের পর আজ দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশ করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য- যেন হাজীরা এ সকল ভুল-ভ্রান্তি থেকে বেঁচে সুষ্ঠুভাবে হজ আদায়ে সক্ষম হন। আল্লাহ তা’আলা তাওফিক দান করুন।

 

 

 

 

১১. তাওয়াফ অবস্থার ভ্রান্তিসমূহ: তাওয়াফের প্রতি চক্করের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নির্দিষ্ট দু’আ পড়াকে জরুরি মনে করে। ফলে নির্দিষ্ট ওই দু’আ শেষ হয়ে গেলে অন্য দু’আ পড়ে না। নির্দিষ্ট দু’আটি নিজের মুখস্থ না থাকলে অন্যের সাহায্য নেয়। এ ধারণা ভুল। তাওয়াফ অবস্থায় নির্দিষ্ট দু’আ পড়া জরুরি নয়। রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে ‘রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাসানাহ…’ এই দু’আ পড়া উত্তম। এটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এ ছাড়া পুরো তাওয়াফে মাছূর দু’আ তথা কুরআন-হাদীস বা সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত যে কোনো দু’আই পড়া যেতে পারে। এমনিভাবে অন্য যেকোনো ভালো অর্থবোধক দু’আও পড়া যেতে পারে। দু’আ আরবিতে করাও জরুরি নয়। নিজের ভাষায় করা যেতে পারে।

 

 

 

 

 

১২. জামাতবদ্ধ হয়ে তাওয়াফ করা: অনেকে জামাতবদ্ধ হয়ে তাওয়াফ করে এবং জামাতের মধ্যে একজন মুখস্থ বা দেখে দেখে উঁচু আওয়াজে দু’আ পড়েন আর তার সঙ্গে পুরো জামাত সমস্বরে দু’আ পড়তে থাকেন। এ নিয়মে একাধিক আপত্তিকর বিষয় রয়েছে—

 

 

 

 

 

ক) সমস্বরে দলবদ্ধভাবে দু’আ পড়ার কারণে অন্যদের একাগ্রতা বিঘ্নিত হয়। খ) এভাবে দু’আ পড়া-পড়ানোর রেওয়াজ সালাফ থেকে প্রমাণিত নেই। এজন্যও তা ত্যাগ করা দরকার। গ) আরও একটি বড় ক্ষতি হলো, দলবদ্ধভাবে চলার কারণে মাতাফে ভিড় সৃষ্টি হয়। অন্যদের উপর অস্বাভাবিক চাপ পড়ে। এতে অন্যদের ভীষণ কষ্ট হয়। অপ্রয়োজনীয় কাজের জন্য এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা খারাপ।

 

 

 

 

 

যদি সকলেই নিজে নিজে চলত এবং দেখে দেখে দু’আ না পড়ত, যা মুখস্ত আছে তা-ই পড়ত তাহলে মাতাফে হঠাৎ যে চাপ সৃষ্টি হয় তা অনেক কমে যেত এবং সকলেই একাগ্রতার সঙ্গে আল্লাহ তা’আলার ধ্যানে নিমগ্ন থেকে দু’আ ও তাওয়াফ করতে পারতেন। (ইলাউস সুনান ১০/৮২; বাদায়েউস সানায়ে ২/৩৪০; মানাসিক মোল্লা আলী কারী পৃষ্ঠা ১৩৫; রদ্দুল মুহতার ২/৪৯৭-৪৯৮)

 

 

 

 

১৩. পুরো তাওয়াফে রমল করা: অনেককে দেখা যায়, তাওয়াফের ৭ চক্করেই রমল করে থাকে। আবার কেউ কেউ নফল তাওয়াফেও রমল করে। মনে করে, রমল সকল তাওয়াফে এবং তাওয়াফের সব চক্করেই করতে হয়। অথচ এটি ভুল। রমল শুধু ওই তাওয়াফেই করতে হয় যে তাওয়াফের পর সাঈ আছে। আর এই তাওয়াফেরও সব চক্করে নয় শুধু প্রথম তিন চক্করে।

 

 

 

 

১৪. অন্যকে কষ্ট দিয়ে রমল করা: রমল করা সুন্নত। মাতাফে কোনো কোনো সময় অস্বাভাবিক ভিড় হয়। বিশেষ করে হজের আগে দু’এক দিন এবং যিলহজের ১০-১১ তারিখে। তখন মাতাফে চলাই মুশকিল হয়। সামান্য নড়া-চড়ার প্রভাব পড়ে অনেক দূর পর্যন্ত। কিন্তু, আশ্চর্য হলো, ওই কঠিন ভিড়েও কাউকে কাউকে রমল করতে দেখা যায়। এতে নিজেরও প্রচুর কষ্ট হয়। বিশাল জনসমুদ্রকেও কষ্ট দেওয়া হয়। তাদের অবস্থা দেখে মনে হয়, রমলটা তাওয়াফের ফরয অংশ। এজন্যই বুযুর্গগণ বলেন, ‘যথাযথ হজ করতে হলে সামান্য ইলম যথেষ্ট নয়; বরং প্রচুর ইলম এবং তার সঙ্গে অনেক বেশি আকলের প্রয়োজন।’ রমল ছাড়াও তাওয়াফ আদায় হয়ে যায়। তাই প্রচণ্ড ভিড়ে অন্যকে কষ্ট দিয়ে রমল করা যাবে না; বরং তখন স্বাভাবিকভাবে চলবে। চলতে চলতে কখনো সামান্য ফাঁকা পেলে এবং অন্যের কষ্ট না হলে স্বাভাবিক গতিতে রমলের চেষ্টা করবে। (সহীহ মুসলিম ১/৪১০; মানাসিক মোল্লা আলী কারী পৃষ্ঠা ১৩৩-১৩৪; আলমুগনী ইবনে কুদামা ৫/২১৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২২৬)

 

 

 

 

১৫. মহিলাদের রমল: রমল শুধু পুরুষের জন্য। এ বিধানটি মহিলাদের জন্য নয়। কিন্তু কখনো কখনো মহিলাদেরও তা করতে দেখা যায়। এটি ভুল। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা হাদীস : ১৩১১০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৩৫; আলমুগনী ইবনে কুদামা ৫/২৩৬)

 

 

 

 

 

১৬. তাওয়াফ অবস্থায় কাবা শরীফের দিকে সীনা করা: তাওয়াফকারী পুরো তাওয়াফ অবস্থায় বাইতুল্লাহকে বাম পাশে রেখে চলবে। শুধু রুকনে ইয়ামানী ছোঁয়ার সময় (যদি ছোঁয়া সম্ভব হয়) যেহেতু উভয় হাত কিংবা ডান হাতে বাইতুল্লাহ স্পর্শ করতে হবে তাই তখন বাইতুল্লাহর দিকে সীনা ফিরানো যাবে। কিন্তু সীনা বাইতুল্লাহর দিকে করলে ওই স্থান থেকেই আবার বাইতুল্লাহ বাম দিকে রেখে তাওয়াফ শুরু করতে হবে। তারপর হাজরে আসওয়াদের নিকট গিয়ে আবার সেদিকে ফিরবে। কিন্তু অনেক তাওয়াফকারীকেই এর ব্যতিক্রম করতে দেখা যায়। যেমন:

 

 

 

 

 

ক. হাজরে আসওয়াদ এবং রুকনে ইয়ামানী ছাড়াও অন্য দুই কোণে বা ফাঁকা পেলেই বাইতুল্লাহর দেয়ালে চুম্বন করে থাকে বা আলিঙ্গন করে থাকে। ফলে তাদের সীনা বাইতুল্লাহর দিকে হয়ে যায়। অথচ তাওয়াফের অল্প অংশও যদি কাবা ঘরের দিকে সীনা ফিরিয়ে করা হয় তবে তা শুদ্ধ হবে না। প্রকাশ থাকে যে, তাওয়াফ অবস্থায় হাজরে আসওয়াদ এবং রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত অন্য স্থানে বাইতুল্লাহর দিকে সীনা ফিরানো নিষিদ্ধ।

 

 

 

 

 

খ. দলবদ্ধভাবে চলতে গিয়ে বা দলের অন্যদের খবর নিতে গিয়ে কিংবা ভিড়ের কারণে বাইতুল্লাহর দিকে সীনা ঘুরে যায় এবং ওইভাবেই কিছু দূর চলতে থাকে এতে ওই অংশের তাওয়াফ সহীহ হয় না। তাই কখনো এমন ঘটে গেলে যেখান থেকে ঘুরে গেছে সেখান থেকে যথানিয়মে পুনরায় তাওয়াফ করতে হবে। (সহীহ মুসলিম ১/৪০০; মানাসিক মোল্লা আলী কারী পৃষ্ঠা ১৫৩; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১১৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২২৫; আলমুগনী ৫/২২৫; আদ্দুররুল মুখতার ২/৪৯৪)

 

 

 

 

১৭. নফল তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামায না পড়া বা বিলম্বে পড়া: অনেককে দেখা যায় একের পর এক নফল তাওয়াফ করতেই থাকে। একটি তওয়াফ শেষ হলে তাওয়াফের দুই রাকাত নামায পড়ে না। তাদের এ আমল দেখে মনে হয়, শুধু ফরয ও ওয়াজিব তাওয়াফের পরই এই দুই রাকাত নামায পড়তে হয়। এ ধারণা ভুল। ফরয ও ওয়াজিব তাওয়াফের মতো নফল তাওয়াফের পরও দুই রাকাত নামায পড়া ওয়াজিব এবং বিনা ওজরে একাধিক তাওয়াফের নামাযকে একত্রে পড়া মাকরূহ। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা হাদীস: ১৩৭০৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২২৭; রদ্দুল মুহতার ২/৪৯৯; মানাসিক মোল্লা আলী কারী পৃষ্ঠা ১৫৫; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১১৭)

 

 

 

 

 

১৮. তাওয়াফ পরবর্তী দুই রাকাত পড়ার স্থান নিয়ে বিভ্রান্তি: এই দুই রাকাত নামায মাকামে ইবরাহীমীকে সামনে রেখে পড়া সুন্নত। কিন্তু অনেককে দেখা যায়, মাকামে ইবরাহীমীকে পেছনে রেখে মাকামে ইবরাহীমী ও বাইতুল্লাহর মাঝের ফাঁকা জায়গায় পড়ে। এক তো এই স্থানে নামায পড়লে তওয়াফকারীদের চলাচলে খুব সংকীর্ণতা সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয়ত এই দুই রাকাত নামায যে মাকামে ইবরাহীমীর পেছনে পড়া সুন্নত সে সুন্নতটিও আদায় হয় না। (সুনানে নাসাঈ ২/৩১; মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক হাদীস : ৮৯৬০; মানাসিক ১৫৬; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১১৬; আলমুগনী ৫/২৩১; রদ্দুল মুহতার ২/৪৯৯)

 

 

 

 

১৯. মাকামে ইবরাহীমীর পেছনে তাওয়াফের নামায পড়াকে জরুরি মনে করা: অনেকেই এই স্থানেই নামায আদায় করাকে জরুরি মনে করে বা কার্যত এই জায়গাকেই নামাযের একমাত্র জায়গা মনে করে। ফলে তাদের জানবাজি রেখে সেখানে নামায আদায় করতে দেখা যায়। কেউ কেউ দুই তিনজনের সহযোগিতা ও বেষ্টনীতে নামাযে দাঁড়ায়। ফলে হাজার হাজার তাওয়াফকারী ভীষণ চাপের মুখে পড়ে। এগুলো হল মূর্খতা ও ইবাদতের নামে বাড়াবাড়ি।

 

 

 

 

এতে ছওয়াব হওয়া তো দূরের কথা, উল্টো আরও গুণাহ হয়। তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামায পড়া ওয়াজিব। কিন্তু মাকামে ইবরাহীমী সামনে রেখে পড়া সুন্নত। এ সুন্নত যেমন মাকামে ইবরাহীমীর নিকট পড়লে আদায় হয়, তেমনি মাকামে ইবরাহীমীকে সামনে রেখে দূরে দাঁড়িয়ে পড়লেও আদায় হয়। অবশ্য ওই বরাবর ভিড় থাকলে মসজিদে হারামের যে কোনো স্থানে পড়া যেতে পারে। এমনকি মসজিদে হারামের বাইরে হেরেমের এলাকায় পড়লেও কোনো অসুবিধা নেই। সুতরাং ওই স্থানে পড়ার সুন্নত আদায় করতে গিয়ে অন্যকে কষ্ট দিয়ে হারামে লিপ্ত হওয়া বোকামি। (ইবনে আবী শায়বা : ১৫২৬৭, ১৫২৬৮; সুনানে নাসাঈ ২/৩১; মানাসিক ১৫৬; হিন্দিয়া ১/২২৬; রদ্দুল মুহতার ২/৪৯৯) সাঈ সংক্রান্ত ভুলভ্রান্তি

 

 

 

 

 

২০. সাঈতে নির্দিষ্ট দু’আকে জরুরি মনে করা: তাওয়াফের মতো এখানেও প্রতি সাঈতে কিছু নির্দিষ্ট দু’আকে জরুরি মনে করা হয়। ফলে জামাতবদ্ধ হয়ে একজন বলতে থাকে আর বাকিরা তার সঙ্গে সমস্বরে পড়তে থাকে। এতে ঠিক তাওয়াফের মতোই খারাবীগুলোর সম্মুখীন হতে হয়। অথচ এখানেও নির্দিষ্ট দু’আ পড়া জরুরি নয়। কুরআন-হাদীসের দু’আ বা ভালো অর্থবোধক যে কোনো দু’আই পড়া যেতে পারে। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা হাদীস : ১৪৭১২, ১৪৭১৪; মানাসিক ১৮০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২২৬; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১২৯; আদ্দুররুল মুখতার ২/৫০০)

 

 

 

 

২১. সাফা পাহাড়ের দু’আ: অনেককে দেখা যায়, সাত চক্করেই সাফা পাহাড়ে এসে মাসনূন দু’আটি পড়েন। অথচ সাঈ শুরু করার সময় শুধু প্রথমবারই সাফা পাহাড়ে চড়ে এই দু’আ পড়া সুন্নত। (সুনানে নাসাঈ ২/৩৩; মানাসিক ১৭১; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১২৯)

 

 

 

 

 

২২. সাঈতে ইযতিবা করা: অনেকে মনে করেন, তাওয়াফের মতো সাঈতেও ইযতিবা অর্থাৎ ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধের উপর চাদর পরিধান করা সুন্নত। তাই তারা সাঈতেও ইযতিবা করে থাকে। অথচ সাঈতে ইযতিবা নেই। চাদর স্বাভাবিকভাবে পরে থাকতে হয়। (মানাসিক ১২৯; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১৩০; আলমুগনী ইবনে কুদামা ৫/২১৭; রদ্দুল মুহতার ২/৫০০)

 

 

 

 

২৩. নফল সাঈ: কারও কারও ধারণা, নফল তাওয়াফ করা যেমন ছওয়াবের কাজ তেমনিভাবে নফল সাঈ করাও ছওয়াবের কাজ। অথচ সাঈ শুধু উমরা ও হজের ক্ষেত্রেই ইবাদত। অন্য সময় সাফা মারওয়ার সাঈতে কোনো নেকি নেই। (সহীহ মুসলিম ১/৪১৪; গুনইয়াতুন নাসিক পৃষ্ঠা ১৩৫; আলমুগনী ইবনে কুদামা ৫/৩১৭; রদ্দুল মুহতার ২/৫০২)

 

 

 

 

 

২৪. সামান্য ওজরে হুইল চেয়ারে সাঈ ও তাওয়াফ করা: অনেকে সামান্য ওজরে কিংবা ভিড়ের ভয়ে পায়ে হেঁটে তাওয়াফ-সাঈ না করে হুইল চেয়ারে করে থাকে। সাধারণত ধনাঢ্য লোকদের মধ্যে এ রকম দেখা যায়। অথচ সামান্য অজুহাতে হুইল চেয়ারে তাওয়াফ ও সাঈ করা জায়েয নয়। এভাবে তাওয়াফ বা সাঈ করলে তা আবার পায়ে হেঁটে করা জরুরি। অন্যথায় দম ওয়াজিব হবে। অবশ্য হাঁটতে অক্ষম কিংবা এমন রোগী যে হেঁটে তাওয়াফ বা সাঈ করলে তার অসুখ আরও বেড়ে যাবে তাদের জন্য ‘হুইল চেয়ারে’ তাওয়াফ করা বা সাঈ করা জায়েয। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা হাদীস: ১৩৩০৩, ১৩৩১১, ১৩৩১৫; বাদায়েউস সানায়ে ২/৩১৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২৪৭; আলমুগনী ইবনে কুদামা ৫/২৪৯-২৫০)

 

 

 

 

২৫. সাঈতে মহিলাদের দৌড়ানো: সবুজ দুই পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে মধ্যম গতিতে দৌড়ানো পুরুষের জন্য মুস্তাহাব। কিন্তু কোনো কোনো মহিলাও এ স্থান দৌড়ে পার হয়। অথচ মহিলাদের জন্য এখানেও দৌড়ানো নিষেধ