প্রথমবার্তা,রাবি প্রতিনিধি :  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে   ছাত্রলীগের  দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এ সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলে ৩ জন আহত হয়। ১লা মার্চ   সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে ও জোহা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে  আহতরা হলেন- ছাত্রলীগ কর্মী অনিক, লোকপ্রশাসন বিভাগের আসিফ ও মারুফ। এদের মধ্যে অনিক শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদর রুনুর অনুসারী।

 

 

 

 

 

অপরদিকে আসিফ ও মারুফ সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার’র অনুসারী।আহতদের মধ্যে আসিফ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল রামেক কর্তৃপক্ষ।ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (০১ মার্চ ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাশ বাংলা মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে খেলার মাঠে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারপিটে জড়িয়ে পড়ে।

 

 

 

 

 

পরে সন্ধ্যায় ছয়টার দিকে মারুফ ও আসিফ  টুকিটাকি চত্বরে ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সজলের সাথে দেখা করতে আসে।দেখা করে যাওয়া সময় আগে থেকে টুকিটাকিতে বসে থাকা অনিকসহ আরও কয়েকজন তাদের অনুসরণ করে। তারা শহীদুল্লাহ কলা ভবনের গেলে তাদের ওপর হামলা চালায় অনিকসহ কয়েকজন। এ ঘটনার জেরে ফের সন্ধ্যা সাতটার দিকে জোহা চত্বরের অনিককে একা পেয়ে তার ওপর হামলা চালায় মারুফের ১০-১৫জন বন্ধু।

 

 

 

 

 

দুই দফা মারধরের পর ক্যাম্পাসে থমথমে পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অনিক বলেন, ‘খেলাধূলা নিয়ে দ্এুকজনের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। তেমন কিছু না।’ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের বিষয়টি অস্বীকার করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কিবরিয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ ও লোক প্রসাশন বিভাগের ছোট ভাইদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। পরে আমরা সমাধান করে দিয়েছি।

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘ছোট ভাইদের ডিপার্টমেন্টের খেলা নিয়ে সমস্যা হয়েছে। আমি ও কিবরিয়া ভাই বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি। অনিক তার অনুসারি কিনা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।’জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর লুৎফর রহমান বলেন, ‘খেলাকে কেন্দ্র করে অর্থনীতি বিভাগ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে শুনার পর পুলিশ পাঠিয়েছি। সমস্যা সমাধানের জন্য রুনু ও কিবরিয়া সাহেব  কে ফোন করে বলেছি।’