প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   শিরোনাম শুনে চমকে গেলেন ? ভাবছেন, ভুল শুনলাম নাকি ? সারা জীবন তো একমাত্র নারীরা ব্রা পরে বলেই শুনে এসেছি । কিন্তু বহুল প্রচলিত এই সত্য আর টিকছে না । জাপানের এক অনলাইন লিঙ্গারি বিক্রয় প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে চলেছে ছেলেদের ব্রা । সাধারণত ‘ক্রস ড্রেসিং’ ছেলেরা কিনছে এইসব ব্রা ।

 

 

 

 

জাপানের এই প্রতিষ্ঠান পুরুষকূলের জন্য বিভিন্ন সাইজ ও রং-এর ব্রা বাজারে নিয়ে এসেছে । প্রতিষ্ঠানটি দাবি, তাদের তৈরিকৃত ব্রাই পুরুষদের জন্য তৈরি বিশ্বের প্রথম ব্রা । প্রতিষ্ঠানটির মতে, বিশেষভাবে তৈরি ব্রা গুলো পরিধানে পুরুষদের দেহ ও মনে প্রশান্তি ডেকে আনবে ও রাতের ঘুম ভালো করবে । জাপানি ভাষায় ব্রাটির নাম রাখা হয়েছে ‘কাহেই ওয়াসুমি ব্রা’ ।কিছু দিন আগে চালু হয় রাকুতেন নামের এই অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্র ।

 

 

 

 

 

এরই ভেতর ৩০০টি ছেলেদের ব্রা বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি । প্রতিটি ব্রার মূল্য ৩০ ডলার করে । কাকু নিশিওকা নামে এক বিক্রেতার বলেন, ‘ব্রাটি রাতের ঘুম সুন্দর করে ও পরবর্তী দিন পরিধানকারীকে কর্মচঞ্চল রাখে ।’ মাসাউকি নামের ক্রেতা রয়টার্সকে বলে, আমি এটা পরে খুব স্বস্তি অনুভব করছি ।বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে গোলাপি, সবুজ, হলুদসহ বিভিন্ন রংয়ের ফুলের ব্রা । অবশ্য প্রতিষ্ঠানটি ব্রার সাথে প্যান্টিও তৈরি করছে । প্যান্টিসহ প্রতিটি ব্রার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ পাউন্ড ।

 

 

 

 

 

বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের এক নারী বলেন, আমরা শুরুতেই আশ্চর্যই হয়েছি । ছেলেরা ব্রার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে দেখে উৎপাদন আগের চেয়ে বেশি করতে হচ্ছে । এরইভেতর জাপানের জনপ্রিয় গণমাধ্যমে হাজার হাজার নারী-পুরুষ এর প্রয়োজনীয় দিক নিয়ে আলোচনা করছে ।পুরুষ স্তন সব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শরীরের চর্বি দ্বারা সৃষ্ট হয় না ।

 

 

 

 

 

ক্লিনিকাল গাইনোকাস্টিয়া হরমোন ভারসাম্যহীনতার কারণ, এস্ট্রোজেনের উচ্চ মাত্রা বা টেসটোসটের নিচু মাত্রা, মেনস হেলথ জানিয়েছে । এই অবস্থায় ভুগছেন এমন একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যিনি সম্ভবত সমাধান নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন । যারা চর্বি সংগ্রহের ফলে স্তন ভোগ করে তাদের জন্য পরিত্রাণ পেতে একমাত্র উপায় হল এই ব্রা ।

 

 

 

 

 

 

বিভিন্ন শিল্পায়িত দেশগুলির দুর্যোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সুযোগে জাপানকে যুদ্ধ হারানো অনেক দূরের কথা । যদিও ওজনযুক্ত নাগরিকদের জন্য যে কোনও হার জাতীয় স্বাস্থ্যের ঝুঁকিটির প্রতিফলন, জাপানে কেবলমাত্র ৩২ শতাংশ পুরুষকে “ওভারওয়েট” হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, ৬৫ শতাংশ ইংরেজ এবং ৭১ শতাংশ আমেরিকান পুরুষের তুলনায় ।