প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   দু’‌বছর আগে মেয়েটির মা-বাবা গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর সে এবং তার দুই ভাইকে দেখাশোনা করার জন্য তার দাদি তাদের সঙ্গে এসে থাকতে শুরু করেন। কিছুদিন পরে মাত্র চার হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে সুরিন্দর নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন দাদি।

 

 

 

 

সুরিন্দর মেয়েটিকে নিয়ে যায় দিল্লিতে। এরপরেই সুরিন্দরের আসল চরিত্র জানতে পারে মেয়েটি। দিন-রাত যৌন নির্যাতন করা হয় তাকে। মুখে কাপড় গুঁজে, হাত-পা বেঁধে চলত ধর্ষণ।

 

 

 

 

মানুষ যে কতোটা নিচে নামতে পারে তারই বর্ণনা দিচ্ছিলেন নাবালিকা মেয়েটি। বর্ণনায় টানা দু’বছর ধরে ধর্ষণের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন এভাবেই।

 

 

 

 

নাবালিকা জানায়, কিছুদিন পর আমাকে নিজেরই এক বন্ধু মণি মিশ্রর বাড়িতে কাজে পাঠায় সুরিন্দর। আর সেখানেই শুরু হয় নতুন করে অত্যাচার। মিশ্র নামের সেই ব্যক্তি রান্নাঘরেই আমাকে ধর্ষণ করতে থাকে। আমাকে থাকতেও হত রান্নাঘরের এক কোণে। সেই ব্যক্তির স্ত্রী এবং সন্তানরা রান্নাঘরের বাইরে থাকলেও ধর্ষণ করত মণি। এমনকি চলত পাশবিক অত্যাচার। সুরিন্দরের থেকেও বেশি অত্যাচার করা হত আমাকে।

 

 

 

 

 

এরপর এ সুযোগে পালায় সে। দুই যুবক তাকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আক্রান্তের মুখে এই জবানবন্দি শুনে রীতিমতো শিউরে উঠেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।