প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সংগঠনটিতে যে জটিলতা চলছে শিগগিরই তার অবসান ঘটানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ছাত্রলীগের বিষয়টি অচিরেই সমাধান হবে। আলোচনা হচ্ছে। আজ শনিবার দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গেলে ছাত্রলীগ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে এ আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

 

 

 

 

 

কবে নাগাদ হতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমার অনুপস্থিতিতে ছাত্রলীগের কমিটির ব্যাপারে নেত্রী আমাদের দলের চারজন নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তাদের কমিটি গঠন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা সাংগঠনিক সমস্যা সমাধানে। তাদের সাথে আমার কথাবর্তা হয়েছে, যোগাযোগ হচ্ছে। আন্দোলন-প্রতিবাদ করছে যারা, তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা হচ্ছে। আমি আশা করি, অচিরেই সমাধান হবে।

 

 

 

 

 

সরকার রাজনৈতিক কারণে বেগম জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে না- বিএনপির নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখেছে কে? সরকার না মামলা? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মামলার কারণে আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কারাগারে আছেন। যদি সরকারকে দায়ী করেন, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দায়ী করেন।

 

 

 

 

কাদের আরো বলেন, দেশে আইন আছে, বিচার ব্যবস্থা আছে। আইন অনুযায়ী তিনি আদালতে গেছেন, আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিয়েছেন। সেভাবেই তিনি জেলে আছেন। আইনি লড়াই করে বিএনপির নেতারা তাকে মুক্ত করে আনতে পারেন। এখানে সরকারের কোন করণীয় নেই। বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারে।

 

 

 

 

 

বিএনপি নেতাদের আন্দোলনের হুমকির জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সাজা পাওয়ার পর এতদিন চলে গেল, আজ পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলনের বিন্দু মাত্র উত্তাপ রাজপথে নেই। এটা বিএনপির সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন করলে তাদের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হবে। তাদের এ ধরনের আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা নেই।

 

 

 

 

 

 

এ সময় সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্লাহ ও পরিবহন শ্রমিক নেতা ওসমান আলীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।