প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:ভারতের দক্ষিণ কলকাতার রানিকুঠির জি ডি বিড়লা স্কুলে পড়তো কৃত্তিকা পাল। দশম শ্রেণির এই ছাত্রীর  অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে  ধারণা করছেন, ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু তার কোনো কারণ এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

 

 

আত্মহত্যার কারণ কী ছিল, সেটি জানা জরুরি। কিন্তু তার আগে একটি বিষয় জানা জরুরি, এই পরিস্থিতি কীভাবে রোধ করা যায়।আত্মহত্যা মূলত দুইভাবে হয়। একটি তাৎক্ষণিক আবেগ থেকে। অন্যটি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী। তাৎক্ষণিক আবেগ থেকে যারা আত্মহত্যা করে, সাধারণত তাদের ব্যক্তিত্বের ধরনে গণ্ডগোল দেখা যায়। আর যারা পরিকল্পনা করে আত্মহত্যা করে  তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই অবসাদ নিজেকে শেষ করার একটি অন্যতম কারণ।

 

 

আমাদের অনেকেরই একটা ভুল ধারণা আছে, অবসাদ মূলত চাকরি না পাওয়া, ব্যর্থ প্রেম বা বাবা-মা মারা যাওয়ার মতো বিভিন্ন কারণে হয়। কিন্তু একটি বিষয় জেনে রাখতে হবে, অবসাদের শুরুটা কিন্তু এই ১৩-১৪ বছর বয়সেই হয়। অবসাদ থেকে যারা আত্মহত্যা করে, তারা অনেক গুছিয়ে সুন্দর পরিকল্পনা করে কাজটি করে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যিনি আত্মহত্যা করছেন তিনি এর আগেও একাধিকবার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বারবার ব্যর্থ হয়েছেন। কেউ হয়তো তৃতীয় বার বা চতুর্থ বারে গিয়ে আত্মহত্যায় ‘সাফল্য’ পান।

 

 

যেমন কৃত্তিকা এর আগে একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। সে কথা যদিও তার স্কুল কর্তৃপক্ষ জানতো না। সেটি জানানো যদিও জরুরি ছিল।এই অবসাদেরও আবার দুটো ভাগ আছে। প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি। প্রথম ভাগে যারা পড়ে, তাদের অবসাদের কোনো কারণ নেই। যারা দ্বিতীয় ভাগে পড়ে, তাদের ক্ষেত্রে অবসাদের একটা নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।

 

 

আজকাল যেসব বাচ্চাকে মা-বাবারা মনোরোগ চিকিৎসকদের ক্লিনিকে নিয়ে আসেন দেখা যায়, বেশির ভাগেরই কিন্তু এই কারণটি  রয়েছে। কারও ক্ষেত্রে সমাজের চাপ, কারও ক্ষেত্রে পারিবারিক চাপ, কারও আবার পড়াশোনার চাপ, স্কুলের চাপ— এসব মিলিয়ে অবসাদ আসছে। আর সেই চাপ সামলাতে না পেরেই আত্মহত্যার চেষ্টা করছে তারা।

 

 

বাবা-মায়েদের আরো সতর্ক হতে হবে। কোনও রকম অস্বাভাবিকতা দেখলেই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাঁদের পরামর্শ নিতে হবে। এই প্রবণতা কিন্তু ছোট থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে ঠেকানো সম্ভব। আর বাচ্চা সম্পর্কে সব তথ্যই স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে রাখা ভালো। কেননা, দিনের একটি বড় অংশ তারা স্কুলেই থাকে।

এই বিভাগের আরো খবর :

২৩ জুলাই ২০১৯, দেখে নিন সৌদি রিয়াল রেট
অভিনেত্রী অহনার মামলা: এবার ট্রাকের ড্রাইভার সুমনের স্বীকারোক্তি
বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে এসডিজি অর্জনে: প্রধানমন্ত্রী
কাক ইঁদুরের লড়াই!
প্রকাশিত হলো আবৃত্তিশিল্পী শ্যামোলিপী শ্যামা’র ৫ টি অডিও অ্যালবাম
চার মাসের জামিন পেলেন খালেদা জিয়া
মুসলিম ব্যবসায়ীকে বাধ্য করা হলো শুকরের মাংস খেতে
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মালিকানা, গোমর ফাঁস করলেন ফখরুল
ভারতে ধর্ষণের চেষ্টাকারীকে নগ্ন করে রাস্তায় ঘোরাল গ্রামবাসী
প্রধানমন্ত্রী আজ ভাষণ দেবেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
নির্বাচন আর পেছানো যাবে না: এইচ টি ইমাম
মমতা এবার নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব আনছেন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘোড়দৌড়ে পুরুষদের টেক্কা দিয়ে বিজয়ী সাবিনা
পুলিশ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে রেখেছে
মিশরে হস্তাক্ষরের বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন