প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    ২৮ বছর বয়সি দক্ষিণ আফ্রিকার এক যুবক পুরুষাঙ্গে বিয়ের আংটি পরে ভালই গ্যাঁড়াকলে পড়েছিল। ভালোবাসার মানুষের স্পর্শ অনুভব করতেই সে এই অদ্ভুত কাজ করেছিল। অবশেষে পুরুষাঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা ও যন্ত্রণা নিয়ে তাকে ডাক্তারের কাছে ছুটতে হয়। ডাক্তার অনেক চেষ্টা করে আংটিটি অপসারণ করতে সক্ষম হন।

 

 

 

 

নাম প্রকাশ না করা যুবকটি নিজের ইচ্ছায় বিয়ের আংটি পুরুষাঙ্গে পরেছিল। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে যখন তার পুরুষাঙ্গ সেক্সের জন্য প্রস্তুত হয়। সে সময় স্বাভাবিক ভাবেই পুরুষাঙ্গ অনেক মোটা ও ফুলে উঠেছিল। আর সে কারণে আংটিটি আটকে যায়।

 

 

 

 

যুবকটি কোনভাবেই আর পুরুষাঙ্গ থেকে আংটিটি খুলতে পারছিল না। ফলে প্রচণ্ড যন্ত্রণা ও রক্তপাতের সৃষ্টি হয়। আর সে কারণেই বাধ্য হয়ে তাকে ডাক্তারের কাছে ছুটতে হয়।

 

 

 

 

চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তার জানিয়েছেন, ‘যখন যুবকটির মা তাকে নিয়ে হাসপাতালে আসে ততক্ষণে চার ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। তখনও তার পুরুষাঙ্গ খাঁড়া ও নীল হয়েছিল’।

 

 

 

 

ডাক্তার প্রথমে ছোট সার্জারি করাত দিয়ে আংটিটি কেটে বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়, কারণ পুরুষাঙ্গ খাঁড়া ও ফোলা অবস্থায় থাকায় করাতের আঘাতে নতুন করে ইনজুরিতে পড়ার সম্ভাবনা ছিল।

 

 

 

 

 

অবশেষে একটি সুচ দিয়ে যুবকটির পুরুষাঙ্গে অনেকগুলো ছিদ্র করে ফোলা কমিয়ে আনতে সক্ষম হন ডাক্তার এবং আংটিটি অপসারণ করেন।

 

 

 

 

চিকিৎসা হিসেবে যুবকটিকে এন্টিবায়োটিক ও পেইন কিলার দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ধরণের কাজ পুনরায় আর না করার জন্য কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়।