প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:স্বামী নিজে অক্ষম। কিন্তু বংশ তো আর থেমে থাকতে পারে না। ছেলে তো চাইই চাই। ভারতের মুম্বাই শহরের ভিরারের ঘটনা। ২৫ বছরের এক যুবতী সম্প্রতি সেখানের পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীই তাঁকে জোর করেছেন নিজের বাবার শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার জন্য।

 

 

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নীকেশ গিরি নামে ওই মহিলার স্বামী যৌনমিলনে অক্ষম। তাই তার বাবাই পুত্রবধূকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। মহিলা আরও অভিযোগ করেন যে, অনিল যাদব নামে এক চিকিৎসকের সঙ্গেও যৌনমিলনে তাঁকে জোর করে নীকেশ।

 

 

২০১৬ সালের মার্চ মাসে অভিযোগকারিনী মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় নীকেশের। ফুলশয্যার রাতেই নীকেশ তার স্ত্রীকে জানিয়ে দেয় তার অক্ষমতার কথা। এবং সে রাতেই নীকেশ ঘর থেকে নিজে বেরিয়ে গিয়ে, চিকিৎসক অনিলকে পাঠিয়ে দেয় সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর কাছে।

 

 

স্বভাবতই এমন কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। ফলত, সারা রাত তাঁকে কাটাতে হয় বাড়ির বারান্দায়। পরবর্তীকালে, শ্বশুরমশাই পান্নালাল গিরিও তাঁর ঘরে চলে আসত বলে অভিযোগ করেন মহিলা। মদ্যপ অবস্থায় তাঁর পাশে এসে শুয়ে তাঁকে স্পর্শ করত পান্নালাল।

 

 

ছ’মাস আগে, আমদাবাদের তাঁর বাবার বাড়িতে খবর পাঠান মহিলা। তাঁর বাবা মুম্বই এলে, মেয়ে-সহ তাঁদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় গিরি পরিবার।

 

 

মুম্বই পুলিশের মহিলা শাখার এসিপি, পান্না মোমায়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গিরি পরিবার তাদের পুত্রবধূকে বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হওয়ার জন্য শাসিয়েছে। প্রসঙ্গত, নীকেশ গিরি ও তার বাবা পান্নালালের সঙ্গে, তাদের ওই ঘৃণ্য কাজে মদত করত নীকেশের মা ও বোনও।