প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   চট্টগ্রামের একজন তরুণ ব্যবসায়ী মামুন বিন কবির।পারিবারিকভাবে গার্মেন্টস এক্সেসরিজের ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে তাদের।অন্যান্য দিনের মতই তিনি অফিসের কাজে পিয়নকে পাঠালেন ব্যাংক এশিয়ার জিইসি শাখা থেকে একলাখ টাকা তুলে নিয়ে আসতে।কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে পিয়ন যে কথা বলল তা শুনে মামুন বিন কবিরের মাথায় হাত।ব্যাংকে তার একাউন্টে নাকি কোন টাকাই নেই!!২০১৩ সালের জুন মাসের মাঝামাঝিতে মামুন ব্যাংক এশিয়ার জিইসি শাখায় একটি একাউন্ট খুলে নিজের ব্যবসায়িক লেনদেন শুরু করেন।

 

 

 

 

২০১৪ সালের ডিসেম্বরের ৪ তারিখে দুই লাখ টাকা উত্তোলন করা ছিল তার শেষ আর্থিক লেনদেন এই ব্যাংকের সাথে এবং এর আগে তিনি দেড়বছরে মোট নয়টি চেকবই ব্যবহার করেছিলেন।ডিসেম্বরের ৪ তারিখে দুই লাখ টাকা তোলার পরে ডিসেম্বরের ৮ তারিখে একলাখ টাকা উত্তোলনের চেক পাঠালে মামুন সাহেব জানতে পারেন যে ৭ই ডিসেম্বর তার একাউন্ট থেকে ৩৫ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

এইখবর পাওয়ার সাথে সাথে মামুন সাহেব তার অফিসের কয়েকজন কর্মচারীকে নিয়ে ব্যাংকে চলে যান এবং ব্যাংক কর্মকর্তারা তার বিষয়টি তদন্ত করে সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দেন।কিন্তু কয়েকদিন যাওয়ার পরেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই ঘটোনার কোন সুরাহা দিতে পারেনা এবং তারা উলটো মামুন সাহেবকেই নাটক সাজাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে।

 

 

 

 

 

তাহলে এ ঘটনার জন্য কি মামুন সাহেবই দায়ী নাকি ব্যাংকই আছে মূল ঘটনার পিছনে?তাহলে আস্তে আস্তে খোলা যাক রহস্যের জট প্রথমেই আপনাদের দুটি তথ্য জানিয়ে রাখি টাকা কার একাউন্টে গিয়ে জমা হয়েছে? টাকা জমা হয়েছে আল আরাফাহ ব্যাংকের শাখায় এইচ এম মাহফুজুর রহমান নামের এক শেয়ার ব্যবসায়ীর হিসাবে।তিনি এই টাকা নিজের একাউন্ট থেকে তুলে নিয়ে গেছেন।

 

 

 

 

 

টাকা লেনদেনের সময় কর্মকর্তা কে ছিলেন? কর্মকর্তা ছিলেন চৌধুরী তানিয়া শামস চৌধুরী তানিয়া শামস ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার ঐ শাখার কর্মকর্তা এবং টাকার লেনদেন হয়েছিল তার হাতেই।কিন্তু মামুন সাহেবের এই আর্থিক লেনদেনের সমস্যার মাঝখান দিয়েই তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে যান।

 

 

 

 

 

অথচ ব্যাংকের সাধারন বিধি মোতাবেক কোন কর্মকর্তার নামে যদি কোন আর্থিক লেনদেনের সমস্যার অভিযোগ থাকে তাহলে সেটার সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তিনি চাকরি ছেড়ে যেতে পারেননা। তদন্ত করে জানা যায় যে মামুন বিন কবির এবং চৌধুরী তানিয়া শামস পরস্পর দূরসম্পর্কের আত্মীয় হন।

 

 

 

আরো পড়ুন : ব্যাংকে টাকা জমা রাখার আগে একবার পড়ে দেখুন- পর্ব ২।

 

 

এছাড়া মামুনের অভিযোগ মতে টাকা লেনদেনের ঝামেলার পরে চৌধুরী তানিয়া শামস তাকে অনেকবার এ বিষয়ে আর বাড়াবাড়ি না করতে হুমকি দিয়েছেন আর বেশি বাড়াবাড়ি করলে তার নামে মানি লন্ডারিংএর মামলা করা হবে বলে ভয় দেখিয়েছেন।মামুন কবির কি আসলেই সত্যি বলছেন? চলবে ……