প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:বরগুনায় রিফাত শরীফ হ*ত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ৬ নম্বর আসামি রাব্বি আকনকে গ্রে*ফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টায় বরগুনা শহর থেকে তাকে গ্রে*ফতার করা হয়েছে। রাব্বি বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের কেওড়াবুনিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

 

 

বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন তাকে গ্রে*ফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রিফাত শরীফ হ*ত্যা মামলার এজাহারভূক্ত ৬ জনসহ ১৩ জনকে গ্রে*ফতার করা হয়েছে।

 

 

এর আগে বুধবার রাতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে রাতুল সিকদার নামে একজনকে গ্রে*ফতার করে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে হাজির করা হয়েছিল। বরগুনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ূন কবির তাকে ৫ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন। বিচারক তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

 

 

গত ১ জুলাই মামলার এজাহারভূক্ত ১১ নম্বর আসামি অলি ও তানভীর, ৪ জুলাই রাতে মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামী মো. হাসান, ৫ জুলাই রাতে মো. সাগর ও নাজমুল হাসান এবং ১০ জুলাই রাতে রাফিউল ইসলাম রাব্বি আদালতে হাজির হয়ে বিচারকের সামনে রিফাত শরীফ হ*ত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এ পর্যন্ত ৭ জন আসামি হ*ত্যার দায় স্বীকার করেছে।

 

 

প্রধান আসামী নয়ন বন্ড ২ জুলাই ভোরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীকে ৩ জুলাই রাতে পুলিশ গ্রে*ফতার করেছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীকে হ*ত্যা মামলায় ৭ দিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অস্ত্র মামলায় আরো ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কামরুল হাসান সাইমুন, আরিয়ান শ্রাবন ও টিকটক হৃদয়কে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বরগুনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।