প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:একের পর এক বিপদে ডুবে আছেন বলিউড অভিনেতা ও প্রযোজক আদিত্য পাঞ্চোলি। এক অভিনেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের ভিত্তিতে গেল বৃহস্পতিবার তার নামে এফআইআর করেছে মুম্বাইয়ের ভারশোভা থানার পুলিশ।অভিযুক্ত আদিত্যের নামে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬, ৩২৮, ৩৮৪, ৩৪১, ৩৪২, ৩২৩ ও ৫০ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। কেস নম্বরটি হল-১৯৮/২০১৯। এদিন পুলিশের কাছে জবানবন্দি দেন কঙ্গনা রানাওয়াত।

 

 

জানা যায়, কয়েকবছর আগে কঙ্গনাকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করেছে আদিত্য। এ বিষয়ে সম্প্রতি অভিযুক্ত অভিনেতার নামে একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। লিখিত অভিযোগে জানানো হয়, ১৭ বছর বয়সে প্রথম তাকে ধর্ষণ করে আদিত্য। এই ঘটনার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আদিত্যকে শুধু হুঁশিয়ারি দিয়েই ছেড়ে দেওয়া হয়। ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের পরেও তার নামে কোনো এফআইআর দায়ের করা হয়নি।

 

 

২০১৭ সালে আদিত্যর বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিলেন কঙ্গনা। এর বিরুদ্ধে আদিত্য কঙ্গনার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন। চলতি মাসের শুরুতে সেই মামলার কথা মনে করিয়ে নতুন করে কঙ্গনাকে নোটিশও পাঠান আদিত্য। তার জেরে কঙ্গনাকে ৪টি সমন পাঠায় আদালত। এই মামলাতেই বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) আদিত্যর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ।

 

 

পুলিশের কাছে সদ্য অভিযোগ দায়ের করা হলেও, ধর্ষণের ঘটনাটি আসলে ঘটেছিল ১০ বছর আগে। সেক্ষেত্রে ধর্ষণ হয়েছিল কিনা তা প্রমাণ করাটা প্রায় অনিশ্চিত পুলিশের কাছে। আদিত্য যদিও প্রথম থেকেই এতে মিথ্যে ধর্ষণের মামলা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

 

 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকার আদিত্য ও তার স্ত্রী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন কঙ্গনা। তার বোন রঙ্গোলিও এই দম্পতির নামে আপত্তিকর টুইট করেন। এরপরই তাদের নামে মানহানির মামলা দায়ের করেন আদিত্য ও তার স্ত্রী জারিনা ওয়াহাব। তার ভিত্তিতে মোট চারটি আলাদা মামলায় সমন জারি করেছে আন্ধেরি আদালত। আগামী ২৬ জুলাই এই মামলার শুনানিতে তাদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।