প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম মাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন। সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, ওপার বাংলায় আজ এক কালো দিন৷

 

 

 

 

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা সেনানায়ক, বাংলাদেশ রাজনৈতিক মহলের প্রথম সারির ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হুসেন মহম্মদ এরশাদের মৃত্যু হয়েছে রবিবার সকালে৷ এমন এক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে দাফনের তোড়জোড় চলছে দেশজুড়েই৷ তারই মাঝে সংশয় দেখা দিল, কোথায় হবে তাঁর দাফন৷

 

 

 

 

রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি গুঞ্জন উঠেছিল, রংপুর অর্থাৎ যেখানে এরশাদ প্রথম জীবন কাটিয়েছেন সেখানে হতে পারে দাফন কাজ৷ কিন্তু পরবর্তীতে এরশাদের নিজের ইচ্ছেকে মর্যাদা দিয়ে ঠিক হয়েছে, মঙ্গলবার ঢাকার সামরিক কবরস্থানেই তাঁর দাফন সম্পূর্ণ হবে। একথা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু৷

 

 

 

 

 

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর রবিবার সকাল ৭টা ৪৫ নাগাদ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ খবর পেয়ে তাঁর স্ত্রী রওশন এবং ছেলে শাদ হাসপাতালে যান৷ আজ এরশাদের মরদেহ রাখা হবে হাসপাতালের মর্গেই৷ এরপর আগামী দু’দিন ধরে রয়েছে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি৷

 

 

 

 

 

জাতীয় পার্টির প্রেস সেক্রেটারি খোন্দকার দেলওয়ার জালালি জানিয়েছেন, রবিবার ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় সেনা মসজিদ এরশাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে৷ আর সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ জাতীয় সংদের দক্ষিণ প্লাজায় হবে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা৷ বেলা ১১টায় এরশাদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির সদর কার্যালয়ে৷

 

 

 

 

এরপর মঙ্গলবার হেলিকপ্টারে করে এরশাদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রংপুরে, যেখানে তিনি কাটিয়েছিলেন শৈশবের দীর্ঘ সময়৷ প্রথমে ঠিক হয়েছিল, সোমবারই রংপুরে যাবে এরশাদের মরদেহ৷ পরে কর্মসূচি বদলে ফেলা হয়৷

 

 

 

 

 

রংপুরে সকলে শেষশ্রদ্ধা জানানোর পর এরশাদের মরদেহ আনা হবে ঢাকায়৷ এবং বিকালে সামরিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা সংসদের বিরোধী দলের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সেইসঙ্গে পদ্মাপাড়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে ইতি ঘটবে একটি অধ্যায়৷