প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: বর্তমান সরকার এ দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। আমলারাই এ সরকার টিকিয়ে রেখেছে। তাই আমলাদের খুশি করতে বছর বছর বেতন বৃদ্ধি করলেও সাধারণ মানুষের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। গতকাল বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করতে হবে।

 

 

 

 

তিনি দলকে সুসংগঠিত করার উপর জোর দেন। এজন্য তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।অপরদিকে, জেলার নেতারা দলকে শক্তিশালী করতে জোটের অন্তর্ভুক্ত ছোট ছোট দলগুলোকে বাদ দেয়ার আহ্বান জানান। বরিশাল ঈদগা ময়দানে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সমাবেশে বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতাকর্মী অংশ নেন।

 

 

 

 

 

বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে সভায় বেগম খালেদা জিয়ার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাইশ মিনিটের বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ এখন ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ধর্ষণ, খুন, গুম এখন প্রতিদিনের ঘটনা। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই বলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ন্যায় বিচার আমরা আশা করতে পারি না। তাই মানববন্ধন আর সমাবেশ করে কোন লাভ হবে না।

 

 

 

 

 

 

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে রাজধানীতে আন্দোলন করতে হবে। আর এবার অন্য ধরনের আন্দোলনের সূচনা এই বরিশাল থেকেই হলো। বিকাল চারটায় মঞ্চে উঠেন মির্জা আলমগীর। তিনি বলেন, স্বৈরাচারী এরশাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হয়, সেখানে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করা বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করছেন।

 

 

 

 

এসময় ফখরুল সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাদ দিয়ে, বেগম জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে সকল রাজনৈতিক দলকে ডেকে দ্রুত নির্বাচন দিন। নতুবা জনরোষে আপনাদের পথও কঠিন হবে, ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবে না। কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বীরবিক্রম, এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বীর বিক্রম, এবিএম খন্দকার মোশারফ হোসেন, হাফিজ ইব্রাহিম, বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, এবায়েদুল হক চান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।