প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: ডেঙ্গু নিয়ে সবার মধ্যে একধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদিও এটা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। তবে ঋতুবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু হলে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।

 

 

 

 

 

ঋতুবর্তী নারীদের জন্য ডেঙ্গু কিছুটা ভয়ঙ্কর।নারীদের ক্ষেত্রে দেখা গেল পিরিয়ডের সময় হয়নি কয়েকদিন আগেই ব্লিডিং শুরু হয়ে গেল। অথবা জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্লিডিং শুরু হয়ে গেল। কিংবা পিরিয়ড চলা অবস্থায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলো, কিন্তু তার ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না। পিরিয়ডের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না। এসব ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষ্য রাখা জরুরি। কেননা এটা ঝঁকিপূর্ণ।

 

 

 

 

 

অযথা গাইনি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে লাভ নেই, মূলত ডেঙ্গুর কারণেই এমনটা হয়। ডেঙ্গু ভালো হয়ে গেলে আবার ঠিক হয়ে যায়।

 

 

 

 

বুধবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের কনফারেন্স কক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) উদ্যোগে আয়োজিত ‘এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের যথোপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন অনুষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ডিন ডা. এবিএম আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। কেননা প্রতিবেশী ভারতসহ থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও অন্যান্য যেসব দেশে ডেঙ্গু হয়েছে সেসব দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থা অনেক ভালো।

 

 

 

 

 

ডা. এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, এবছর যেহেতু ডেঙ্গুর ধরন পরিবর্তন হয়েছে, সেহেতু সচেতন থাকত হবে। জ্বর হলে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া জরুরি। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ৫ থেকে ৬ দিন পর প্লাটিলেট কমতে থাকে। কিন্তু এবার আক্রান্তের ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে রোগীর প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে এবং শক হওয়ার আশংকা থাকছে।

 

 

 

 

 

ফলে যেকোনো সময় রক্তক্ষরণ হতে পারে। যা রোগীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকি।ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যেসব পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর বাইরে অন্য কোনো পরীক্ষা করার দরকার নেই বলে জানয়েছেন এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

 

 

 

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, বিএসএমএমইউর রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া প্রমুখ।