প্রথমবার্তা  লাইফস্টাইল ডেস্ক : মানুষের শরীরে পিঠ হল এমন একটি জায়গা যা সরাসরি নিজে দেখা যায়না। তাই এমন অনেক জিনিস যা আপনার পিঠে আছে তা অবহেলা করে থাকেন আপনি। আর এমনিতেও মানুষ গুরুতর সমস্যা হলে তবেই তা চিকিৎসা করান।

 

 

 

 

 

 

 

ব্ল্যাক হেডস এর মত জিনিস তো কেউ চিকিৎসা করার কথা ভাবতেও পারেন না. কিন্তু এবার এমন একটি ঘটনা দেখা গেল যা এই সাধারণ ব্ল্যাক হেডস নিয়েই; তাও একজন বৃদ্ধার পিঠে হওয়া ব্ল্যাক হেডস যা উনি ৮৫ বছর ধরে বহন করে চলেছিলেন।

 

 

 

 

প্রথম থেকেই এই বৃদ্ধা ব্ল্যাকহেডসটিকে একটি আঁচিল বা তিল ভেবেই ভুল করেছিলেন। তাই কোনোদিনও গুরুতরভাবে সেটির দিকে লক্ষ্য করেননি। একদিন শরীরের অন্যান্য সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার ফলে তিনি ডাক্তার দেখতে গিয়ে সাধারণ ভাবেই জিজ্ঞাসা করেন যে পথে ওটি কি?

 

 

 

 

 

ডাক্তার সেটি কিছুক্ষন নিরীক্ষণ করেই বিপদ বুঝে ওনাকে স্কিন স্পেশালিস্ট দেখানোর পরামর্শ দেন. স্কিন স্পেশালিস্টের কাছে যেতে দুষভাগবশতঃ তিনি সার্জারি ছাড়া আর কোনো পথ খুঁজে পাননি। ডাক্তারের নাম সান্ড্রা লি.

 

 

 

 

 

আঁচিলটি ছিল ৮৫ বছর বয়সী অর্থাৎ মহিলার নিজের বয়সের সমান যা তিনি এত বছর ধরে উপেক্ষা করে চলেছেন। ডাক্তার প্রথমে ইনজেকশন দ্বারা জায়গাটি অবশ করে আঁচিলটি খুঁচিয়ে বার করেন।

 

 

 

 

 

 

সেটি আসলে ছিল একটি বড় টিউমার বা বের করার সাথে সাথেই পিঠের ওই অংশে একটি বড় গর্ত তৈরী হয়ে যায়. এই গহ্বর কতদিনে ভরাট হবে তা বলা যাচ্ছেনা তবে যেহেতু এটি চ্যাংরার ব্যাপার তা ভরাট হয়ে উঠবেই।