প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:   মানুষ প্রবাসে পাড়ি জমায় স্বপ্ন নিয়ে। আশা থাকে জীবন-যাত্রার মানোন্নয়ন। কিন্তু সব সময় ভালো কিছু হয়ে ওঠে না। অনেক সময় ভুক্তভোগীদের নানান ধরণের নির্যাতন সইতে হয় প্রবাসে গিয়ে। কেউ কেউ আবার নির্যাতন সইতে না পেরে মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলে। এরই জলজ্যান্ত উদাহরণ মানিকগঞ্জের বিউটি আক্তার ও পারুল।

 

 

 

 

এই দুজনই পরিবারের জন্য অতিরিক্ত আয়ের আসার দেশ ছেড়েছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে তারা আজ মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন।বিউটি আক্তারকে এখন লোহার শিকল দিয়ে বেধে রাখে তার পরিবার। আর পারুল আজ পাগলি হিসেবে পরিচিত। তার পরিবারের দাবি অমানুষিক নির্যাতনের কারণেই আজ তার এ দশা।

 

 

 

 

দাতা সংস্থাও এগিয়ে আসেনি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া নারীদের বেশিরভাগই নির্যাতনের শিকার। তার উপর একটি ঘটনাতেও বিচারের বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের নজির নেই।

 

 

 

 

কর্তৃপক্ষের মতে গৃহকর্মীর কাজে যাওয়া বিপুল সংখ্যক নারীকর্মীর সকলের খোঁজখবর নেওয়া কষ্টসাধ্য।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহান বলেন, আমাদের প্রেক্ষাপটে বিদেশে গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব নয়।

 

 

 

 

 

ব্রাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, আমরা এখনো পর্যন্ত এমন নির্যাতনকারী কারো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে দেখিনি।

 

 

 

 

 

 

প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে নারী কর্মী গেছেন প্রায় সোয়া ৮ লাখ। অনেকেরই মত, গত ৩ বছরে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন অন্তত ৮ হাজার নারী শ্রমিক।