প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:    ঈদের পরেরদিন অর্থাৎ সোমবার, রাজধানীর নতুন বাজার এলাকার মাদানি এভিনিউ দিয়ে যাওয়ার পথে দেখা গেল অন্যরকম দৃশ্য। বারিধারা ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনের সড়কদ্বীপে অনেক মাংস বিক্রেতা। ঈদের পরেরদিন এতো মাংস বিক্রেতা দেখে সহজেই অনুমান করা যায় ঘটনা কী! হাঁটতে হাঁটতেই চিৎকার শোনা গেল, ‘২০০ টাকা কেজি, ২০০ টাকা কেজি।’

 

 

 

 

 

 

মাদানি এভিনিউয়ে এরকম বেশকিছু মৌসুমী মাংস বিক্রেতা মাংসের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। এতো অল্প দামে মাংস বিক্রি করছেন তারপরেও ক্রেতা কম।

 

 

 

 

 

 

সোহেল একজন বিক্রেতা জানালেন, এসব মাংস তিনি ক্রয় করেছেন অল্প দামে। ভেবেছিলেন বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু ২০০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি করতে গিয়ে অবাক হলেন কেননা এতো অল্প দামেও কেউ মাংস কিনছে না।

 

 

 

 

 

অবশ্য অনেক বিক্রেতাই রয়েছেন যারা নিজেরাই কোরবানির মাংস বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে সংগ্রহ করেছেন, সেগুলোই জমিয়ে এখন বিক্রি করছেন। তাদের একজন রহমত। বললেন, ‘ঈদের দিন আমাদের ঢাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে মাংস দিয়েছে কিন্তু এতোগুলা মাংস খাইতে পারবো না। এইজন্য বিক্রি করতে নিয়া আসছি।’

 

 

 

 

 

মাদানি এভিনিউয়ের মৌসুমী এই মাংস বিক্রেতারা বৃষ্টি উপেক্ষা করে সোমবার সন্ধ্যার পরে চিৎকার করে বিক্রি করছিলেন নিজেদের সংগৃহীত মাংস। এতো অল্প দামেও ক্রেতা কম থাকায় তাদের হতাশ মনে হচ্ছিল।

 

 

 

 

 

চলতি বছরে কোরবানির পশুর দামও তুলনামূলক কম ছিল। অনেকেই গ্রাম থেকে ঢাকায় পশু নিয়ে এসে প্রত্যাশিত মূল্য পাননি বলে জানিয়েছিলেন গণমাধ্যমকে। তবে এই মুহূর্তে আলোচ্য ইস্যু চামড়ার মূল্য। বিগত বছরগুলোর তূলনায় এবার চামড়ার মূল্যই নেই বাজারে। অনেকেই চামড়া মাটিতে পুতে ফেলছেন।