প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: একাধিক নারী কেলেংকারীর হোতা বহু বিবাহের নায়ক বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি আবারও অনৈতিক কাজের সময় এক নারীসহ ধরা পড়ল নিজ অফিসে। সোমবার বিকাল সাড়ে তিনটার সময় বেনাপোলের আরাফাত ভবনের তিন তলায়  নাজিম উদ্দিন তার সত্বাধীকারি সিএন্ডএফ অফিসে হাতে নাতে ধরা পড়ে স্থানীয় জনগনের কাছে।
সুত্র মতে, বিএনপির এই নেতা বেনাপোলসহ একাধিক জায়গায় বহু নারী কেলেংকারীর সাথে জড়িত। তিনি তার নিজস্ব অফিসে এক যুবতীর সাথে অনৈতিক কাজ করার সময় স্থানীয়রা জানতে পেরে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ সময় নাজিম উদ্দিন স্থানীয় জনগনের কাছে ক্ষমা চেয়ে হাতে পায়ে ধরলে এ যাত্রা থেকে রেহাই পায়। তবে তাকে নারী কেলেংকারীর ঘটনায় উত্তম মাধ্যম দিয়েছে বলে জানা যায় বিশেষ সুত্রে।
সরেজমিন নাজিম উদ্দিনের অফিসে যেয়ে দেখা গেছে সেখানে তার মনোরঞ্জনের জন্য বালিশ পর্যন্ত রয়েছে। সে প্রায় তার এই অফিসে বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবতীদের এনে অনৈতকি কাজ করে বলে স্থানীয়রা জানায়।
নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, নাজিম উদ্দিন তার অফিসের সাবেক ম্যানেজার রফিকুল ইসলামের স্ত্রীর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ মেলা মেশা করে আসছে। বর্তমানে তার ঘরে দুটি স্ত্রী রয়েছে। সে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন।
নাজিম উদ্দিনের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে যে অসন্মান করা হয়েছে, এটা ঠিক কাজ করে নাই। তবে এই দিন দিন না আরো দিন আছে। যুবতীর সাথে তার যে অনৈতিক কাজ হয়েছে এটা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মানসিক অবস্থা ভাল না। আপনারা এখন আসেন পরে কথা হবে।
এ বিষয়ে, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক হাছান জহির বলেন, আমাকে নাজিম উদ্দিন বলেছেন তাকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
ইতিপুর্বে তিনি নাভারন বুরুজ বাগানে এক বুড়র সাথে অনৈতিক কাজ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন। তবে কৌশল অবলম্বন করে সেখান থেকে স্যান্ডেল ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে সে যাত্রা থেকে রেহাই পায়