প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:     ৩০ লাখ টাকা দাম হাঁকিয়ে আলোচনায় আসা ৪২ মণ ওজনের সেই ষাঁড় ‘টাইগার’কে অবশেষে জবাই করে মাংস বিক্রি করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে গোয়াল ঘরে পা পিছলে পড়ে দুই পা ভেঙে যায় টাইগারের।

 

 

 

 

এতে অসুস্থ হয়ে পড়ে গরুটি। বিমর্ষ হয়ে পড়েন মালিক মিনারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা। চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তারা। পরে অনিচ্ছা সত্ত্বেও বড় লোকসান ঠেকাতে গরুটি জবাই করতে বাধ্য হন মিনারুল।

 

 

 

 

এলাকায় মাইকিং করে মাংস বিক্রি করা হয়। খবর শুনে মিনারুলের বাড়িতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে সরেজমিন চাটমোহর উপজেলার ছোট গুয়াখড়া গ্রামে মিনারুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, উৎসুক মানুষের ভিড়।

 

 

 

 

সেখানে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। ৫০০ টাকা কেজি দরে মাংস কিনতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক ক্রেতার সমাগম ঘটেছে। মাংস কাটায় নিয়োজিত কসাই জানান, সব মিলিয়ে ২৫-২৬ মণ মাংস হতে পারে।

 

 

 

 

সেই হিসেবে দাম আসবে পাঁচ লাখ টাকা। ৯ ফুট দৈর্ঘ্য আর সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতার ফিজিয়ান জাতের ষাঁড় গরুটির ওজন হয়েছিল ৪২ মণ। কোরবানির আগে এটির দাম ৩০ লাখ টাকা হেঁকে আলোচনায় আসেন খামারি মিনারুল ইসলাম।

 

 

 

 

 

এ বছর ঢাকার মোহাম্মদপুরে ঈদুল আজহার হাটে টাইগারের সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ১৮ লাখ টাকা। সেই হিসাবে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা লস হলো মালিকের। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে বিক্রি না করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। ইচ্ছা ছিল আর এক বছর লালন পালনের পর আগামী ঈদুল আজহায় বিক্রি করবেন।